ফেনীতে নেমে আসা হাতির নিরাপত্তা দিতে স্থানীয় বন কর্মকর্তাকে বাংলাদেশ প্রকৃতি সংরক্ষণ জোটের অনুরোধ। সীমান্তবর্তী পাহাড়ি এলাকা থেকে ফেনীতে নেমে আসা হাতিটির নিরাপত্তা দিতে ফেনীর বিভাগীয় বন কর্মকর্তাকে অনুরোধ জানিয়েছিলো বাংলাদেশ প্রকৃর্তি সংরক্ষণ জোট।
গত শুক্রবার সকালে বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মাকসুদ আলমকে ফোন করেন জোটের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জামান মজুমদার। এ সময় তিনি হাতিটির নিরাপত্তায় কি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে জানতে চান বন কর্মকর্তার কাছে। হাতিটির ক্ষতি না করতে জনগণকে সচেতন করার পাশাপাশি প্রয়োজনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সহযোগিতা নেওয়ারও পরামর্শ দেন বন্যপ্রাণী রক্ষার দাবিতে ৩৩টি পরিবেশবাদী সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত এই জোটের প্রধান।
.png)

এ সময় ফেনী বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মাকসুদ আলম তাকে আশ্বস্ত করে জানান, হাতিটি ছাগলনাইয়া নিকটবর্তী সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করেছে। সবশেষ হাতিটিকে দাগনভূঞায় দেখা গেছে। হাতিটির প্রতি নজরদারির পাশাপাশি কেউ যেন হামলা না করে সে বিষয়ে জনগণকে সচেতন করা হচ্ছে বলেও জানান এই বন কর্মকর্তা।
গত বৃহস্পতিবার সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের ত্রিপুরা থেকে বাংলাদেশের ফেনীতে ঢুকে পড়েছিল দলছুট হাতিটি। এর পর হাতিটি দাপিয়ে বেড়াচ্ছে জেলার বিভিন্ন এলাকা। আগে হাতিটিকে দাগনভূঞাঁ, কাশিমপুর ও পাঁচগাছিয়া এলাকায় দেখতে পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়রা বলেন, রাতের বেলায় হাতিটি তাণ্ডব চালায়। দিনের বেলায় কম দেখতে পাওয়া যায়। সামান্য দেখলেও ভয়ে কেউ কাছে যেতে পারে না। তখন হাতিটি মাছের ঘের, সীমানা প্রাচীর, কৃষি জমি, ফসলি মাঠ, বসত ভিটাসহ বিভিন্নস্থানে ক্ষতি করছে। যার ফলে আতঙ্ক বিরাজ করেছিল জনসাধারণের মধ্যে।