বুধবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার বালুভরা ইউপির পালশা দক্ষিণপড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মেহেদী হাসান লিওন ঐ এলাকার মোকলেছার রহমানের ছেলে।
আটকরা হলেন- পালশা দক্ষিণপড়ার এছাহাক আলীর স্ত্রী খুরসিদা বেগম ও তার ছেলে স্বাধীন।
.png)
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পাঁচ বছর আগে এছাছাক আলীর কিছু জমি ৫০ হাজার টাকায় বন্ধক নেন উত্তরপাড়া মেহেদী হাসান। পরে ঐ জমির ওপর আরো ৩০ হাজার টাকা নেন এছাহাক আলী। ওই সময় মেহেদী হাসান বলেন কখনো জমি বিক্রি করলে যেন তাকে জানানো হয়। সম্প্রতি ঐ জমি মেহেদী হাসানকে না জানিয়ে বিক্রির চেষ্টা করেন এছাহাক আলী।
বিষয়টি জানার পর মেহেদী হাসান ও তার ভগ্নীপতিসহ বুধবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে এছাহাকের বাড়িতে যান। জমি বন্ধকের পাওনা টাকা ফেরত চান। এছাহাক আলী টাকা পরে দেবে বলে জানান। এ নিয়ে দুইজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এ সময় এছাহাক তার স্ত্রী, ছেলে আসমাউল হুমায়ন ও ছোট ছেলে স্বাধীনকে ডাক দেন। এক পর্যায়ে তারা কাঁচি দিয়ে মেহেদী হাসানের পেটের নিচে আঘাত করেন। মেহেদী হাসানের রক্তক্ষরণ শুরু হলে তাকে উদ্ধার করে নওগাঁ সদর হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মেহেদী হাসান মারা যান। ঘটনার পর থেকে এছাহাক ও তার বড় ছেলে আসমাউল হুমায়ন পলাতক। পুলিশ এছাহাক আলীর স্ত্রী খুরসিদা বেগম ও ছোট ছেলে স্বাধীনকে আটক করে থানায় নিয়েছে।
বদলগাছী থানার ওসি আতিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনায় নিহতের বাবা মোকলেছার রহমান বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা করেন। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ নওগাঁ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িত দুইজনকে আটক করা হয়েছে। বাকি আসামিদেরও ধরার চেষ্টা চলছে।