শুক্রবার সকালে বরগুনা জেলা প্রশাসক মো. হাবিবুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। দগ্ধ বশির ও তার মেয়ে তাইফা বরগুনা সদর উপজেলার ৩নং ফুলঝুরি ইউনিয়নের রোডপাড়ার বাসিন্দা।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টায় এমভি অভিযান-১০ লঞ্চটি ঢাকা থেকে বরগুনার উদ্দেশে ছাড়ে। রাত ৩টার দিকে ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে লঞ্চের ইঞ্জিনরুমে আগুন লাগে। মুহূর্তেই আগুন পুরো লঞ্চে ছড়িয়ে পড়ে। এ দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া বরিশাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন দগ্ধ আরো ৭২ জন।
.png)
উদ্ধার হওয়া লঞ্চযাত্রীরা জানান, জীবন বাঁচাতে অনেকেই নদীতে লাফিয়ে সাঁতরে তীরে উঠেছেন।
প্রাণে বেঁচে ফেরা বরগুনার তালতলী উপজেলার সোনিয়া বেগম জানান, লঞ্চে আগুন লাগার সময় তিনি ইঞ্জিনরুমের উপরে দোতলার ডেকে ছিলেন। আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে ডেক গরম হয়ে চারদিক ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। এরপর লঞ্চের সঙ্গে বাঁধা দড়ি বেয়ে ছোট ছেলেকে নিয়ে নিচে নেমে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে সাঁতরে তীরে ওঠেন। তবে তার মা রেখা বেগম এবং ৫ বছরের ছেলে জুনায়েদ সিকদার এখন পর্যন্ত নিখোঁজ।
বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালের চিকিৎসক মো. আনিসুজ্জামান জানান, আহতদের বেশিরভাগই ঝালকাঠি হাসপাতাল থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। ভর্তি ৭২ জনের মধ্যে সাতজনই শিশু। তাদের মধ্যে তিন শিশুকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। তাদের মধ্যে তাইফা নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে।