বরগুনার পাথরঘাটার বাসিন্দা শাহজালাল বলেন, সন্ধ্যার দিকে সদরঘাট থেকে অভিযান-১০ লঞ্চে ওঠে রাকিবুল। এরপর আর কথা হয়নি। আমার ছেলে নারায়ণগঞ্জে মাদ্রাসায় পড়ত। ওর কপালের ডান পাশে তিল রয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ থেকে বরগুনায় বাড়ির উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল ১৩ বছরের রাকিবুল। তবে বাড়িতে আর যাওয়া হয়নি তার। লঞ্চে আগুনের খবর পেয়ে পুড়ে অঙ্গার হয়ে যাওয়া যাত্রীদের মধ্যে একমাত্র ছেলেকে হন্যে হয়ে খুঁজছেন বাবা শাহজালাল।
.png)
আগুনে পুড়ে যাওয়া লঞ্চ অভিযান-১০ বা হাসপাতাল, কোথাও মিলছে না তার ছেলের খোঁজ।
বরগুনার পাথরঘাটার বাসিন্দা শাহজালাল বলেন, প্রতিবেশী লোকমানও একই লঞ্চে করে বরগুনা আসছিলেন। তার হাত পুড়ে গেছে। তিনিই সকালে আমাকে দুর্ঘটনার কথা জানান। এরপরই আমি দৌড়াতে দৌড়াতে এসেছি।
এদিকে লঞ্চের তৃতীয় তলায় আগুনে কেবিনের অনেক যাত্রী পুড়ে অঙ্গার হয়ে গেছে।
ঢাকা থেকে বরগুনাগামী যাত্রীবাহী অভিযান-১০ লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় বেলা ১১টা পর্যন্ত ৩৯ জনের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।