ঢাকা,  সোমবার   ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় কিশোরীকে ধর্ষণ!

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২২:২৩, ২৮ ডিসেম্বর ২০২১
বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় কিশোরীকে ধর্ষণ!
প্রতীকী ছবি

বরগুনার আমতলীতে বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে এক কিশোরীকে (১৮) ধর্ষণ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল রাতে ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে অপহরণকারী মারুফ ওরফে জিসানসহ পাঁচজনকে আসামি করে আমতলী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ওই কিশোরী আমতলীতে একটি বেসরকারি ক্লিনিকে ল্যাব সহকারী হিসেবে চাকরি করেন। বিভিন্ন সময় আমতলী পৌর শহরের সদর রোডের বাসিন্দা মাহবুবুর রহমান ওরফে নয়া মিয়া, যাকে সবাই সাহেব গার্মেন্টস নামে চেনে তার বখাটে ছেলে মারুফ হোসেন জিসান ভুক্তভোগীকে বিয়ে করবে বলে প্রেমের প্রস্তাব দেয়। জিসান নেশাগ্রস্ত ও বিবাহিত বলে কিশোরী রাজি না হলে তাকে জোরপূর্বক বিয়ে করবে বলে হুমকি দিতে থাকে।

ঘটনার দিন গত ২১ নভেম্বর ভুক্তভোগী তার কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। তিনি আমতলী চৌরাস্তায় পৌঁছালে মূল অভিযুক্ত মারুফ ওরফে জিসানসহ তার অন্য এক সহযোগী গাড়িতে উঠে ভিকটিমের নাকের সামনে চেতনানাশক ওষুধযুক্ত রুমাল ধরে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে।

Advertisement

ঘটনার দিন মেয়ে বাড়িতে না ফিরলে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে আমতলী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন ভুক্তভোগীর মা। এরপর গত ১৯ ডিসেম্বর বিকেল ৩টার দিকে ভিকটিমকে তাঁদের বাড়ির কাছে রাস্তায় ফেলে আবুল হোসেন হাওলাদার নামক  এক ব্যক্তিকে মুঠোফোনে জানায়। মেয়ের মুখে ঘটনার বিস্তারিত শুনে ২০ ডিসেম্বর আমতলী থানায় এসে মৌখিকভাবে বিষয়টি জানিয়ে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করে পরিবার।

মামলার বাদী ভিকটিমের মা বলেন, 'যে আমার মেয়ের এত বড় সর্বনাশ করেছে আমি তার বিচার চাই।'

আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম মিজানুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে মূল অভিযুক্তসহ পাঁচজনের নামে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/SA
ট্যাগ: ধর্ষণ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!