পুলিশ ও শাহিনুরের স্বজনরা জানান, গত ২০০৮ সালে গোকর্ণঘাট এলাকার লতিফ মিয়ার ছেলে ফারুক হোসেনের সঙ্গে একই এলাকার রাশেদ আলীর মেয়ে শাহিনুরের বিয়ে হয়। বিয়ের কয়েক মাস পরই ফারুক হোসেন বিদেশে চলে যান।
আরো পড়ুন: দুই কসাই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ-হামলা, গ্রেফতার ২
.png)
এরমধ্যে গত কয়েক বছর ধরে শাহিনুর মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। তাকে বেশ কয়েকবার বিভিন্ন জায়গা থেকে চিকিৎসাও করানো হয়। মানসিক সমস্যা থাকায় তার তিন ছেলে-মেয়ে তাদের চাচার বাসায় থাকতেন। আজ সকালে শাহিনুরের ঘর থেকে দুর্গন্ধ বের হতে থাকলে বাড়ির লোকজন পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ দুপুরে তার ঘরের দরজা ভেঙে শাহিনুরের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেন।
এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ওসি মুহাম্মদ এমরানুল ইসলাম বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেছি। তবে এ ব্যাপারে পরিবারের পক্ষ থেকে এখানো কোনো অভিযোগ দেওয়া হয়নি।