বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের পিপি অনুপ কুমার নন্দী।
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি গিয়াস উদ্দিন ভেড়ামারা উপজেলার ধরমপুর ইউনিয়নের পাটিয়াকান্দি গ্রামের মৃত ইমান আলীর ছেলে। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
.png)
আদালত সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক কলহের জেরে ২০১৩ সালের ১৭ অক্টোবর দিবাগত রাত ১টার দিকে ফাঁস লাগিয়ে শ্বাসরোধে স্ত্রী আমেনা খাতুনকে হত্যা করেন স্বামী গিয়াস উদ্দিন। পরে আশেপাশের লোকজন টের পান এবং ভেড়ামারা থানা পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। হত্যাকাণ্ডের দিনই এলাকাবাসী গিয়াসকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন। এ ঘটনায় ২০১৩ সালের ১৮ অক্টোবর নিহতের ভাই লিটন শেখ বাদী হয়ে ভেড়ামারা থানার একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
আরো পড়ুন: সুগন্ধি মরিচ চাষে লাখ টাকা আয়
পরে মামলার তদন্ত শেষে ২০১৫ সালের ৯ সেপ্টেম্বর আসামির বিরুদ্ধে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। এরপর আদালত এ মামলায় সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে ৩ জানুয়ারি রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন। সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে আদালত এ রায় দেন। আদালতে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করা হয়। রায় ঘোষণার পরপরই দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে পুলিশ পাহারায় জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
আদালতের পিপি অনুপ কুমার নন্দী বলেন, স্ত্রীকে হত্যা মামলায় দোষী প্রমাণিত হওয়ায় স্বামী গিয়াস উদ্দিনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।