মঙ্গলবার দুপুরে উদ্ধার হওয়া নবজাতককে তার মায়ের কাছে পৌঁছে দেন দিনাজপুরের পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন। এর আগে, শিশুটিকে সদর উপজেলার শেখপুরা ইউনিয়নের জয়দেবপুর মোটাশাহ পাড়া থেকে উদ্ধার করা হয়। আটককৃত শিউলী আরা মোটাশাহ পাড়ার ট্রলিচালক মোস্তাফিজুর রহমানের স্ত্রী।
দিনাজপুর কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আসাদুজ্জামান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
.png)
তিনি জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শিউলী আরা নবজাতক চুরির দায় স্বীকার করেছেন। নবজাতক জন্মের কথা তিনি আগে থেকেই জানতেন। সুযোগ বুঝে হাসপাতাল থেকে নবজাতককে চুরি করে নিজ বাসায় নিয়ে যান। এ কাজে শিউলী আরাকে সহযোগিতা করেছেন নবজাতকের খালা হাজেরা বেগম।
পরিদর্শক আসাদুজ্জামান জানান, শিউলী আরার বিয়ে হয়েছিল সদর উপজেলার পাঁচবিবি এলাকার জুলফিকার আলীর সঙ্গে। ৩ বছর আগে তিনি স্বামী পরিত্যক্তা হয়েছেন। বছর দুয়েক আগে মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে দ্বিতীয় বিয়ে হয় তার। বিয়ের পর থেকে তিনি নিঃসন্তান ছিলেন। এ কারণেই নবজাতকটিকে চুরি করেন তিনি।
তিনি আরো জানান, নবজাতক চুরির ঘটনায় অপহরণ মামলা করেছেন প্রসূতি জায়েদা বেগমের স্বামী আব্দুল লতিফ। ঐ মামলায় শিউলী আরাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। তার সঙ্গে আরো কেউ জড়িত কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, সোমবার সকালে চিরিরবন্দর উপজেলার বাসিন্দা আব্দুল লতিফের স্ত্রী জায়েদা বেগম দিনাজপুর জেনারেল হাসপাতালে কন্যাসন্তান প্রসব করেন। ঐদিন দুপুর ৩টার দিকে জায়েদা বেগম শৌচাগারে গেলে সুযোগ বুঝে তার মেয়ে চুরি হয়ে যায়। ঘটনা জানাজানি হলে মাঠে নামে পুলিশ। চুরি হওয়ার ২২ ঘণ্টার মধ্যেই উদ্ধার করা হয় নবজাতককে।