এর আগে নদীতে কুয়াশার ঘনত্ব বেড়ে যাওয়ায় ফেরির দিক-নির্দেশনামূলক বাতির আলো অস্পষ্ট হয়ে গেলে নৌ-দুর্ঘটনা এড়াতে ভোর সোয়া ৪টার দিকে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেয় বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ।
চার ঘণ্টা ফেরি বন্ধ থাকার কারণে যানবাহন পারাপারও বন্ধ হয়ে যায়। এতে উভয়ঘাটে শত শত গাড়ি আটকা পড়ে। দৌলতদিয়া প্রান্তে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে প্রায় ৪ কিলোমিটার যানজট তৈরি হয়েছে। ফেরি বন্ধ থাকায় দৌলতদিয়া ও পাটুরিয়া ঘাটে আটকে থাকা যাত্রীদের তীব্র শীতে চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হয়।
.png)
আরো পড়ুন: টাকার প্রলোভন দেখিয়ে কিশোরীকে ধর্ষণ, চাচার যাবজ্জীবন
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাটের ব্যবস্থাপক মো. নাসির খান বলেন, ভোর সোয়া ৪টার দিকে পদ্মায় কুয়াশার পরিমাণ বেড়ে গেলে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়। সকাল সোয়া ৮টার দিকে কুয়াশার পরিমাণ কমে এলে পুনরায় ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হয়। ফেরি বন্ধ থাকায় দৌলতদিয়া প্রান্তে চার শতাধিক যানবাহন আটকা পড়েছে। এখন সেগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পার করা হচ্ছে।
এর আগে ঘন কুয়াশার কারণে বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৫টা থেকে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার ও শিমুলিয়া-মাঝিরকান্দি নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ রেখেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি)। বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়া ঘাটের টিএস (টার্মিনাল সুপারিন্টেন্ডেন্ট) বশির আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ঘাটে খুব একটা যানবাহনের চাপ নেই।
এর আগে গতকাল বুধবারও এ রুটে ৩ ঘণ্টা ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল। গত নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে শিমুলিয়া ঘাট থেকে বাংলাবাজার ঘাটে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত এবং একই মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে শিমুলিয়া ঘাট থেকে মাঝিরকান্দি নৌরুটে বিকেল ৩টা থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত ফেরি চলাচল শুরু হয়।