স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঐ ইউনিয়নের কুমড়ি গ্রামের শাহাব উদ্দিনের ছেলে রফিকুল ইসলাম সোহান প্রায়ই উত্যক্ত করতো পাশের গ্রামের কলেজপড়ুয়া ঐ ছাত্রীকে। এ নিয়ে অনেক দেন-দরবার হলেও কোনো সমাধান হয়নি। গত বছরের ৫ জুন রাত ১০টার দিকে ঐ ছাত্রীকে বাড়িতে একা পেয়ে ধর্ষণ করেন সোহান। পরে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় পরে সালিশ হলে সেখানে সিদ্ধান্ত হয় ধর্ষণের শিকার কলেজছাত্রীকে বিয়ে করবেন সোহান।
আরো পড়ুন: টাকার প্রলোভন দেখিয়ে কিশোরীকে ধর্ষণ, চাচার যাবজ্জীবন
.png)
কিন্তু এক মাসেও বিয়ে না করায় কলেজছাত্রীর পরিবার মামলা করে। পরে পুলিশ সোহান গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠায়। এক মাস কারাভোগের পর গত মঙ্গলবার রাতে সোহান আবারো ঐ কলেজছাত্রীর বাড়িতে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন।
আরো পড়ুন: শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে ধর্ষণ, জামাই জেলে
ঘটনা সম্পর্কে কলেজছাত্রী জানান, মামলার পর জামিনে এসেই সোহান তাকে বিভিন্নভাবে উত্যক্ত করে আসছিল। লোকলজ্জার ভয়ে এবার আর কাউকে জানানো হয়নি। এ অবস্থায় গত মঙ্গলবার সোহান তার কক্ষে আসলে ভালো ব্যবহার করে বসিয়ে রেখে পরিবারকে কৌশলে জানায় মেয়েটি। পরে গভীর রাতে তাকে আটকে বেঁধে রাখা হয়।
এ বিষয়ে কলেজছাত্রীর চাচা জানান, মামলার পর অল্প দিনের মধ্যে সে জামিনে এসে ফের অত্যাচার শুরু করে। কোনো ভয়-লজ্জার তোয়াক্কা করেনি। এ অবস্থায় আটকের পর তার পরিবারকে জানানো হলে উভয় পরিবারের সম্মতিতে বিয়ের কার্য সম্পন্ন হয়।