নিহত গৃহবধূর নাম সিংয়াইনু মার্মা। তিনি ঐ এলাকার রেথোয়াইনু মার্মার স্ত্রী। তাদের একটি ছেলে রয়েছে।
জানা গেছে, রাত সাড়ে ৩টার দিকে স্থানীয় ওয়ার্ড ইউপি সদস্যকে ফোন করে স্বামী রেথোয়াইনু মার্মা বলেন- ‘আমার স্ত্রীকে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা আমাকে অপহরণ করে নিয়ে যাচ্ছে।’ খবর পেয়ে পাড়ার মানুষ বাসায় গিয়ে দেখে সিংয়াইনু মার্মার লাশ মেঝেতে পড়ে আছে। এ ঘটনার পর থেকে স্বামী রেথোয়াইনু মার্মা নিখোঁজ রয়েছেন। তার মোবাইলফোনও বন্ধ রয়েছে।
.png)
এদিকে এলাকাবাসী জানান, রাতের বেলায় তারা কোনো গোলাগুলির শব্দ শুনতে পাননি। ঐ দম্পতির মধ্যে বনিবনা ছিল না। প্রায় সময় ঝগড়া লাগতো। ধারণা করা হচ্ছে, স্ত্রীকে হত্যার পর অপহরণের নাটক সাজিয়ে পালিয়েছেন স্বামী।
আরো পড়ুন: নিখোঁজের ২১ দিন পর অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী উদ্ধার
গ্রামপুলিশের এক সদস্য বলেন, রাত ৩টার স্ত্রীকে মেরে ফেলার খবর পেয়েছি। এসে ঘরে লাশ দেখতে পাই। তবে সন্ত্রাসীরা যদি মারতো, তাহলে এলাকায় আলামত পাওয়া যেতো। সন্ত্রাসীরা গ্রামে আসলে এলাকার মানুষের কাছে খাবার খুঁজে খাই। তবে এলাকায় এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি।
আরো পড়ুন: টাকার লোভ দেখিয়ে কিশোরীকে ধর্ষণ
রাজবিলা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য (মেম্বার) শৈসা চিং বলেন, সন্ত্রাসীদের হত্যার কোনো আলামত পায়নি, সন্ত্রাসীরা হত্যা করলে গুলি করতো। এলাকায় কিছু আলামত রেখে যেতো। কিন্তু এখানে এমন কিছু পাইনি।
বান্দরবান সদর থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, থংজমাপাড়া থেকে সকালে একজনের লাশ উদ্ধার করা হয়। মরদেহ বান্দরবান সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে।