বৃহস্পতিবার দুপুরে কুষ্টিয়া দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাটি করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুষ্টিয়া দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. জাকারিয়া।
আসামি মনিরুল ইসলাম ও তার স্ত্রী আফরোজা খাতুন মুক্তা কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হরিনারায়নপুর ইউপির বেড়বারাদি গ্রামের বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি পরিবার নিয়ে কুষ্টিয়া শহরের গোরস্থান পাড়া এলাকার ১১/১ হাসান ফয়েজ লেনে বসবাস করছেন। মনিরুল ঢাকায় সড়ক উপ-বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।
.png)
আরো পড়ুন >>> ৫৯ বছর বয়সে এসএসসি পাস
জানা গেছে, কুষ্টিয়া সড়ক বিভাগের সাবেক উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. মনিরুল ইসলাম তার কর্মজীবনের জ্ঞাত আয় বহির্ভূত ২ কোটি ৯৭ লাখ ৩১ হাজার ৪৪৯ টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন বলে দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধান ও তদন্তে সত্যতা পাওয়া যায়।
অনুসন্ধানকালে তার নিজ নামে এবং তার পক্ষে স্ত্রী আফরোজা খাতুন মুক্তার নামে অর্জিত স্থাবর, অস্থাবর, দায়দেনা ও সম্পদ অর্জনের উৎস সংক্রান্ত রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা করা হয়। তাতে অপরাধমূলক অসদাচরণের মাধ্যমে কর্মজীবনের জ্ঞাত আয় বহির্ভূত ২ কোটি ৯৭ লাখ ৩১ হাজার ৪৪৯ টাকা ৭০ পয়সার সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া যায়। ওই সম্পদ অর্জনের উৎসের বিষয়ে মনিরুল সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হন।
আরো পড়ুন >>> দেশে ১০০ দিনের রেকর্ড ভাঙলো করোনা
আসামির দখলে থাকা সম্পত্তির মধ্যে ২ কোটি ৯৭ লাখ ৩১ হাজার ৪৪৯ টাকা ৭০ পয়সার সম্পত্তি জ্ঞাত আয় বহির্ভূত। অপরাধ সংগঠিত হয়েছে বলে প্রতীয়মান হওয়ায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়।
২০০৪ সালের দুর্নীতি দমন কমিশন আইনে মামলাটি করা হয়েছে। কুষ্টিয়া জেলা কার্যালয়ের উপ পরিচালক মো. জাকারিয়া বাদী হয়ে মামলাটি করেছেন।
কুষ্টিয়া দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. জাকারিয়া বলেন, আইন অনুযায়ী কুষ্টিয়া সড়ক বিভাগের সাবেক উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. মনিরুল ইসলাম ও তার স্ত্রী আফরোজা খাতুন মুক্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।