ঢাকা,  সোমবার   ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

পর্নোগ্রাফি মামলায় কারাগারে অধ্যক্ষ ও ইউপি চেয়ারম্যান 

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি 
প্রকাশিত: ১৮:২৩, ২৪ জানুয়ারি ২০২২
পর্নোগ্রাফি মামলায় কারাগারে অধ্যক্ষ ও ইউপি চেয়ারম্যান 
সুনামগঞ্জ জেলা। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

পর্নোগ্রাফি মামলায় সুনামগঞ্জে দিরাই উপজেলার বিবিয়ানা মডেল ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ নৃপেন্দ্র চন্দ্র দাশ ও কুলঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান রঙ্গলাল দাসকে কারাগারে প্রেরণ করেছেন আদালত। তারা উপজেলার কুলঞ্জ ইউপির ভাইটগাঁও গ্রামের নলেন্দ্র চন্দ্র দাসের ছেলে, সম্পর্কে আপন ভাই। 

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নারীর আপত্তিকর ছবি পোস্ট ও শেয়ার করার অভিযোগে তাদেরকে কারাগারে পাঠায় আদালত।

সোমবার দুপুরে আসামিরা আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে চিফ জুডিশিয়্যাল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের চিফ জুডিশিয়্যাল ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ আবদুর রহিম তাদের জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

Advertisement

আরো পড়ুন >>> রোহিঙ্গাদের পুঁজি করে ওরা কোটিপতি

মামলা সংক্ষিপ্ত বিবরণীতে জানা যায, থানায় অভিযোগকারী একই উপজেলার ধীতপুর গ্রামের ও কুলঞ্জ ইউপির সাবেক নারী সদস্য রাজ রানী চক্রবর্তীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলেন বিবিয়ানা মডেল ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ নৃপেন্দ্র চন্দ্র দাশ এবং পরবর্তীতে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন এক পর্যায়ে মামলার বাদী বিয়ের জন্য চাপ দিলে ঐ অধ্যক্ষ সিলেট শিববাড়ী মন্দিরে বিয়ে করেন। বিয়ের পর সংসারে তুলে নেয়ার দাবি জানালে অধ্যক্ষ টালবাহানা করেন। এক পর্যায়ে মতবিরোধের ফলে অধ্যক্ষ নৃপেন্দ্র চন্দ্র দাশ বাদীকে মারধর এবং হুমকি দেন। পরবর্তীতে ২০২০ সালের ৩১ আগস্ট বাদীর আপত্তিকর ছবি ফেইসবুকে শেয়ার করেন। 

আরো পড়ুন >>> ‘থানা-পুলিশ কন্ট্রাক্ট করে এসেছি, বাধা দিলে লাশ পড়বে’

এছাড়া অধ্যক্ষের ভাই রঙ্গলাল দাস একই মামলার এক সাক্ষীর ভাইয়ের এডিট করে নারীর আপত্তিকর ছবি ফেইসবুকে শেয়ার করে। পরবর্তীতে বিচারকাজ চলাকালীন গত বছরের ২৮ নভেম্বর বিবিয়ানা মডেল ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ নৃপেন্দ্র চন্দ্র দাশ ও কুলঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান রঙ্গলাল দাস আদালতে হাজির না হওয়ায় আদালত তাদের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি করলে আজ সোমবার আদালতে এসে আসামিরা জামিনের আবেদন করেন।

সুনামগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রুহুল তুহিন বলেন, আসামিরা আদালতে হাজির না হওয়ার আদালত তাদের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট ইস্যু করে পরবর্তীতে তারা আজ জামিন চাইতে আসলে বিজ্ঞ বিচারক তাদের জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন। 

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমকে
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!