গ্রেফতারকৃতরা হলো সাতক্ষীরা জেলার আলীপুর গ্রামের নাজির উদ্দিনের পুত্র চালক আমিনুর রহমান ও সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার জিল্লুর রহমানের পুত্র হেলপার মো. শিপু।
গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করেছে। এছাড়া নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ট্রাক থেকে ১৭ বস্তা ভারতীয় এ্যালোভেরা জেলি, ভেটনুভেট ক্রিম, স্কিন সাইন, স্কিন সান লাইট, বেবি লোশন আইস, ও জনসন নাইস ক্রিম উদ্ধার করা হয়। আটক প্রসাধনীর আনুমানিক বাজার মূল্য ২ কোটি টাকা বলে জানান হাইওয়ে পুলিশ।
.png)
পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে চোরা চালানের মাধ্যমে রাজধানী ঢাকায় পাচার করে আসছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ককের নরসিংদী জেলার মাহমুদাবাদ এলাকা থেকে একটি ট্রাক আটক করা হয়। ট্রাকটি সিলেট জেলা সীমান্তবর্তী এলাকা জৈন্তাপুর থেকে কসমেটিকগুলো রাজধানী ঢাকার উদ্দেশ্যে নিয়ে যাচ্ছিলেন তারা।
ভৈরব হাইওয়ে থানার ওসি মোজাম্মেল হোসেন জানান, সিলেটের জৈন্তাপুর থেকে একটি ট্রাকে করে ভারতীয় বিভিন্ন প্রসাধনী রাজধানী ঢাকায় পাচার হচ্ছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভৈরবের জগন্নাথপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ট্রাকটিকে আটক করে থানায় নিয়ে আসি।পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে প্রসাধনী আটক করে এবং চালক ও হেলপারকে গ্রেফতার করে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. জুলহাস হোসেন সৌরভ জানান, ১৭টি বস্তা থেকে প্রায় ২ কোটি টাকার ভারতীয় প্রসাধনী আটক করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।