ফায়ার সার্ভিসের এ কর্মকর্তার ধারণা, কাপড়, সূতা ও তুলা জাতীয় জিনিসের কারণেই আগুন দ্রুত ছড়িয়ে ভয়াবহ আকার ধারণ করে।
আরো পড়ুন>>> নারায়ণগঞ্জে কারখানার আগুন সাড়ে ৪ ঘণ্টায় নিয়ন্ত্রণে
.png)
শুক্রবার রাতে আগুন মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে আসার পর সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি একথা জানান।
সে সময় মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, কারখানাটির বেশিরভাগ বিল্ডিংয়েই কাপড়, সূতা, তুলা জাতীয় জিনিস আছে। এ জাতীয় জিনিসে খুব সহজেই আগুন ধরে যায় এবং দ্রুত ছড়ায়। যখন চারটি ভবনে একসঙ্গে আগুন জ্বলছিল এটার ভয়াবহতা অনেক বেশি ছিল। আমাদের ফায়ার ফাইটাররা আগুন লাগা চারটি ভবনের মধ্যে তিনটি ভবনের আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে, একটায় এখনও কিছুটা জ্বলছে।
তিনি জানান, আমরা বিকেল সাড়ে চারটার দিকে খবর পেয়ে এখানে আসি। এরপর আমাদের সোনারগাঁয়ের ইউনিটটাও এখানে আসে। আশেপাশের এলাকা থেকেও কয়েকটি ইউনিট এসে কাজ শুরু করে।
আরো পড়ুন>>> অভিনয় শিল্পী সংঘের নির্বাচনে যারা জয়ী হলেন
অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর নেই জানিয়ে তিনি বলেন, কেউ নিখোঁজ এমন অভিযোগ আমরা পাইনি। এ বিল্ডিংগুলো যেহেতু স্টীলের, সে কারণে আগুনে গলে গিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে।
তিনি আরো বলন, আমরা তদন্ত কমিটি গঠন করব। তারা দেখবে আগুনটা কীভাবে লেগেছে এবং কীভাবে এক বিল্ডিং থেকে আরেক বিল্ডিংয়ে ছড়িয়েছে। যদি কোনো ব্যত্যয় থাকে তাহলে আমরা কার্যকরী ব্যবস্থা নেব।