বাইসাইকেল পেয়ে বাসুদেন ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বরিশর গ্রামের মহল্লাদার (গ্রাম পুলিশ) রনিফ মিয়া বলেন, বাড়ি থেকে ইউনিয়ন পরিষদে প্রতিদিন আসা যাওয়া করতে প্রায় ৫০ টাকা ভাড়া লাগে। প্রতি মাসে আমরা সাড়ে ছয় হাজার টাকা বেতন পাই। প্রতিদিন যদি ৫০ টাকা ভাড়া বাবদ খরচ হয়, তাহলে মাসে আমাদের অনেক টাকা ভাড়া বাবদ খরচ করতে হয়। আজ এই বাইসাইকেল পাওয়াতে আমাদের অনেক উপকার হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, ইউনিয়নের কাজে আমাদের ইউনিয়নে বিভিন্ন জায়গায় যেতে হয়, এতে আমাদের আরো ভাড়া লাগে। দূরের পথ কোথাও হেঁটে যাওয়া সম্ভব না। আজ এই বাইসাইকেল পাওয়াতে আমাদের অনেক উপকার হয়েছে। কাজের ক্ষেত্রে আমাদের অনেক সময় বাঁচবে।
.png)
বাসুদেব ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের উজানিসার গ্রামের মহল্লাদার (গ্রাম পুলিশ) মজনু মিয়া বলেন, আজ বাইসাইকেল পেয়ে আমাদের খুব উপকার হয়েছে। আমার বাড়ি থেকে প্রায় ৮ কিলোমিটার পথ ঘুরে আরেক ইউনিয়ন দিয়ে আমার ইউনিয়ন পরিষদে আসতে হতো। এতে করে প্রতিদিন আমার আসা যাওয়াতে প্রায় ৮০ টাকা ভাড়া বাবদ খরচ হতো।
তিনি আরো বলেন, এখন এই বাইসাইকেল পাওয়াতে আর আমার ভাড়ার টাকা খরচ হবে না। এই সাইকেল দিয়ে সরকার আমাদের অনেক উপকার করেছে। আগে পায়ে হেঁটে কাজ করতাম, এখন আর পায়ে হাঁটতে হবে না। এতে করে সরকারি কাজ দ্রুত জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে পারব।
এ সময় ডিসি মো. শহগীর আলম বলেন, দফাদার ও মহল্লাদারা গ্রামের তথা একটি ইউনিয়নের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের রাখার জন্য সর্বাত্মক ভূমিকা পালন করে থাকেন। সেই ক্ষেত্রে সরকারের পক্ষ থেকে তাদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হয়েছে। সরকার আপনাদের যাতায়াতের জন্য বাইসাইকেল দিয়েছে। এতে করে আপনাদের কাজের দায়িত্ব বেড়ে গেছে। সরকারের সেবা নিশ্চিত করা এবং সাধারণ মানুষের কাছে দ্রুত পৌঁছাতে সহায়ক হিসেবে এই বাইসাইকেল আপনাদের কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
বাইসাইকেল বিতরণ অনুষ্ঠানে সদর ইউএনও মো. ইয়ামিন হোসেনের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা চেয়ারম্যান লায়ন ফিরোজুর রহমান অলিও।
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসনের সিনিয়র সহকারী কমিশনার হাসিবা খান, সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস- চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট লোকমান হোসেন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামীমা আক্তারসহ সদর উপজেলার বিভিন্ন কর্মকর্তরা।