বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজশাহীর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক অনুপ কুমার এ রায় ঘোষণা করেন। এ মামলায় ১৫ জনকে খালাস ও চার আসামির বিচার শিশু আদালতে করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
দণ্ডিতরা হলেন- বাঘার সুলতানপুর এলাকার মিন্টু আলী, রইজ উদ্দিনের ছেলে রানা ও পানা, নজরুল ইসলামের ছেলে আরিফ হোসেন ও শরীফ হোসেন এবং লালপুরের মনিহারপুর গ্রামের তাহের উদ্দীনের ছেলে আরজেদ আলী ভোলা।
.png)
মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এন্তাজুল হক বাবু জানান, নাজমুল হোসেনের ভাগ্নিকে প্রায়ই উত্ত্যক্ত করতেন আসামিরা। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২০ সালের ১৪ জানুয়ারি রাস্তায় উত্ত্যক্ত করতে করতে তাদের বাড়িতে চলে আসেন আসামি সুমন। পরে তাকে বাড়ি থেকে চলে যেতে অনুরোধ করেন সুমন। এ ক্ষোভে বিকেলে সুলতানপুর ভোলার মোড়ে নাজমুলকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করেন সুমন তার সহযোগীরা। এ ঘটনায় ২৫ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করা হয়।
তিনি আরো জানান, এ মামলার চারজন কিশোর আসামি সুমন, সুলতান, সম্রাট ও রকির মামলা শিশু আদালতে পরিচালনার নির্দেশ দেয় আদালত। এ চারজনই ছিলেন হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা। মামলার অপর ১৫ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় তাদের খালাস দেওয়া হয়।