একই এলাকার শহিদুল ইসলামের ছেলে মোমিনের স্বীকারোক্তিতে এ মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় নিয়েছে। অভিযুক্তরা স্কুলছাত্রের পরিবারের কাছে মুক্তিপণ বাবদ ২৯ জানুয়ারি চিরকুট দিয়ে ১০ লাখ টাকা দাবি করে। ১ ফেব্রুয়ারি চিরকুট দিয়ে অভিযুক্তরা মোবাইলে নম্বর দেয়। এসএমএস দিয়ে পুনরায় চাঁদা দাবি করে। পরের দিন স্কুলছাত্রের পরিবার মুক্তিপণ বাবদ ৫ লাখ টাকা দিতে চাইলে তারা ১০ লাখ টাকা দাবি করে। ৩ ফেব্রুয়ারি তারা একটি মোবাইল থেকে কল দিয়ে চাঁদা চায়।
.png)
আরো পড়ুন: স্ত্রীকে ফেরাতে ব্যর্থ, লাইভে এসে আত্মহত্যা করলেন যুবক
৪ ফেব্রুয়ারি মুক্তিপণের জন্য ৬ লাখ টাকা দাবি করে অভিযুক্তরা। চিরকুট ও মোবাইল নম্বর স্কুলছাত্রের পরিবার পুলিশকে দেয়। পুলিশ প্রযুক্তির সাহায্যে অভিযুক্তদের শনাক্ত করে মোমিনকে আটক করলে হত্যা রহস্য উদঘাটন হয়।
তালতলা গ্রামের গোরস্তান পাড়ার আব্দুল বারেকের ছেলে আবু হুরায়রা চুয়াডাঙ্গা ভি জে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ৩য় শ্রেণির ছাত্র ছিল।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি মোহাম্মদ মহাসিন বলেন, ২০২২ সালের ১৯ জানুয়ারি আবু হুরায়রার নিজ বাড়ি থেকে একই গ্রামের শিক্ষক রঞ্জুর কাছে বিকেলে প্রাইভেট পড়তে যায়। এরপর থেকে সে নিখোঁজ হয়। নিখোঁজের দিন স্কুলছাত্রের বাবা চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করেন।