বুধবার বিকেলে শেরপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আখতারুজ্জামান ওই রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত শফিকুল পলাতক রয়েছেন। তার বাড়ি ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার গোয়ালবর এলাকার। তিনি ওই গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে।
.png)
ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট গোলাম কিবরিয়া বুলু জানান, রায়ে ধর্ষণের দায়ে শফিকুলকে যাবজ্জীবন বা ৩০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া অপহরণের দায়ে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। উভয় সাজা একইসঙ্গে কার্যকর হবে। অন্যদিকে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় জয়নাল আবেদীন নামে অপর এক আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।
আরো পড়ুন: দুর্বৃত্তের বিষে মরলো লাখ টাকার মাছ
গোলাম কিবরিয়া বুলু আরও জানান, শফিকুল তার মামাতো বোন জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার ভারুয়া গ্রামের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে নানাভাবে উত্যক্ত করে আসছিল। একপর্যায়ে ২০১৫ সালের ১০ আগস্ট সকালে ওই শিক্ষার্থীকে স্কুলে যাওয়ার পথে তাকে অপহরণ করে। এরপর বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন। স্বজনরা তাকে খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে ১৮ আগস্ট শফিকুলসহ তিনজনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন।
পরবর্তীতে ঝিনাইগাতী থানার এসআই ইউনুস আলী বিশ্বাস ২০১৬ সালের ১৬ জানুয়ারি প্রধান আসামি শফিকুল ও তার সহযোগী জয়নাল আবেদীনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। কিন্তু মামলার শুরু থেকেই উভয় আসামি পলাতক ছিলেন। বিচারিকপর্যায়ে সাতজনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত আজ এ রায় প্রদান করেন।