এ সময় উভয়পক্ষের অন্তত ১২ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত দাউদপুর ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক আসাদ ফকিরকে প্রথমে ভুলতা জেনারেল হাসপাতালে ও পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।
সংঘর্ষে আহত অন্যরা হলেন- নবগঠিত কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক নয়ন সরকার, কামরুল হাসান, সদস্য ইসহাক, জোবায়ের মোল্লা, উপজেলা ছাত্রদল নেতা পাবেল মোল্লা, মেহেদী। বাকিদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। তারা বিভিন্ন হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করেছেন।
.png)
ছাত্রদলের নেতারা জানিয়েছেন, নবগঠিত কমিটির আহ্বায়ক নাহিদ হাসান ও মাসুম বিল্লাহ এর নির্দেশে প্রথমে রূপগঞ্জে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের আনন্দ মিছিল করার কথা ছিল। অন্যদিকে পূর্বঘোষণা অনুযায়ী তাদের প্রতিহত করতে পদবঞ্চিত ছাত্রদল নেতা সুলতান মাহমুদ ও মাসুদুর রহমানের নেতৃত্বে একদল নেতাকর্মী সেখানে অবস্থান নেন। পরে স্থান পরিবর্তন করে দাউদপুর ইউনিয়নে আনন্দ মিছিল করার প্রস্তুতি নেন নতুন কমিটির নেতাকর্মীরা।
আরো পড়ুন: খুলনায় ৬ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় ব্যাংক কর্মকর্তা কারাগারে
এদিকে দাউদপুরে মিছিল বের করার সময় পদবঞ্চিতরা মিছিলরত ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ধাওয়া করেন। সবাই দৌড় দিলেও যুগ্ম আহ্বায়ক নয়ন সরকার, কামরুল হাসান, সদস্য ইসহাক, জোবায়ের মোল্লা, পাবেল মোল্লাসহ একটি গ্রুপ তাদের রুখে দাঁড়ায়। এ সময় উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। পরে দুই পক্ষের আরো নেতাকর্মী এসে যুক্ত হন। প্রায় ১৫ মিনিট ধরে চলে এ সংঘর্ষ।
আহত নয়ন সরকার বলেন, পদবঞ্চিতরা অস্ত্র নিয়ে হামলা করে আমাদের মারধর করেছে। দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা করেছে। হামলায় আমাদের অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন।
পদবঞ্চিত ছাত্রদল নেতা ও রূপগঞ্জ থানা ছাত্রদলের স্থগিত কমিটির আহ্বায়ক সুলতান মাহমুদ বলেন, ডাকাত ও নিষ্ক্রিয়দের দিয়ে গড়া কোনো কমিটি মানি না। কমিটিতে ত্যাগী নেতাকর্মীদের বাদ দেওয়া হয়েছে। জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মশিউর রহমান রনি ও সাধারণ সম্পাদক খাইরুল ইসলাম সজীব টাকা খেয়ে এ কমিটি করেছেন। তাদেরকে আমরা উপজেলায় অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছি।