ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

১২ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা জানতেই মেয়ের ভ্রূণ হত্যা করল বাবা

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৬:২৬, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২
১২ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা জানতেই মেয়ের ভ্রূণ হত্যা করল বাবা
অভিযুক্ত শিপন হাওলাদার তুফান

টানা চার মাস ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন মেয়ে। বিষয়টি জানাজানি হয় ভালোবাসা দিবসে অর্থাৎ ১৪ ফেব্রুয়ারি। এরপরই মেয়েকে হাসপাতালে নেন বাবা। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জানতে পারেন মেয়ে ১২ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা। পরে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে মেয়ের ভ্রূণ হত্যা করেন বাবা।

১৫ ফেব্রুয়ারি নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ উপজেলার একটি হাসপাতালে মেয়ের গর্ভপাত করান ৩৭ বছর বয়সী শিপন হাওলাদার তুফান। তিনি মুন্সিগঞ্জের টঙ্গীবাড়ি উপজেলার হাসাইল এলাকার জামাল ব্যাপারীর ছেলে।

এ ঘটনায় শুক্রবার দুপুরে বাবার বিরুদ্ধে মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ এনে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগীর মা।

Advertisement

ভুক্তভোগীর মা জানান, ১৪ ফেব্রুয়ারি বমি করতে থাকেন তার বড় মেয়ে। কারণ জানতে ফার্মেসি গিয়ে স্ট্রিপ কাঠি দিয়ে পরীক্ষা করা হয়। এরপর জানা গেল মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা। কিন্তু বিয়ে ছাড়া মেয়ের পেটে কীভাবে বাচ্চা এলো, এমন প্রশ্ন মাথায় ঘুরতে থাকে। পরে বিষয়টি মায়ের কাছে খুলে বলেন মেয়েটি।

ভুক্তভোগী তরুণী জানান, মাঝে মধ্যেই বিছানায় যেতেন তার বাবা। এরপর ধর্ষণ করতেন। হঠাৎ এক রাতে টের পান তিনি। পরে জোর করেই বুকের ওপর উঠে মেলামেশা করেন বাবা। বাধা দিলে উল্টো মারধর করে বেরিয়ে আসেন। এভাবে চার মাস ধরে মেয়ের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করছিলেন।

ভুক্তভোগীর মা বিষয়টি স্বজনদের জানাতে চাইলে ১৫ ফেব্রুয়ারি মেয়েকে জোর করে আল্ট্রাসনোগ্রাম করেন বাবা শিপন হাওলাদার তুফান। পরে জানতে পারেন মেয়েটি ১২ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা। এরপর চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে মেয়েকে গর্ভপাত করান।

এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মশিউর রহমান জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!