হাসপাতালের গাইনী চিকিৎসক গাইনী কনসালটেন্ট ডাঃ শিবলী রানী দেবী ও জুনিয়র কনসালটেন্ট (এনেস্থিসিয়া) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতাল ডঃ তৌহিদ আহমেদ চৌধুরী সিজারিয়ান অপারেশন করেন। জন্ম নেয়া ছেলে শিশু তিনটি এখন পর্যন্ত ভালো আছে। প্রসূতি রুবিনা আক্তার (৩২) জেলার নাসিরনগর উপজেলার সোনাতলা এলাকার মো. জামাল মিয়ার স্ত্রী।
জুনিয়র কনসালটেন্ট (এনেস্থিসিয়া) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতাল ডঃ তৌহিদ আহমেদ চৌধুরী জানান, সকালে ওই প্রসূতির শারীরিক অবস্থা খারাপ হলে স্বজনরা হাসপাতালে নিয়ে আসেন। স্বজনেরা আল্ট্রাসনোগ্রাফির মাধ্যমে আগে জানত তার গর্ভে তিনটি বাচ্চা রয়েছে। তিনি আরো জানান, ওই প্রসূতির আগেও আরো চারটি ছেলে সন্তান রয়েছে। প্রসূতির স্বামী একজন দিনমজুর।
.png)
হাসপাতালের গাইনী চিকিৎসক গাইনী কনসালটেন্ট ডাঃ শিবলী রানী দেবী জানান, হাসপাতালে আনার পর পেটে শিশু গুলোর নড়াচড়া কম ছিল ও প্রচুর পানি ভেঙ্গে গিয়েছিলো। তার শরীরে রক্তের পরিমানও কম ছিলো। পরে দুপুর আড়াইটার দিকে দ্রুত তাকে অস্ত্রপাচার করা হয়। অস্ত্রপাচারের মাধ্যমে তিনটি ফুটফুটে ছেলে সন্তান জন্ম দেন তিনি।
তিনি আরো বলেন, শিশু তিনটি যথাক্রমে ১ কেজি ৫০০ গ্রাম, ১ কেজি ৭০০ গ্রাম ও ১ কেজি ৬০০ গ্রাম ওজন নিয়ে জন্ম গ্রহণ করে। জন্ম নেয়া শিশু তিনটির শারীরিক অবস্থা মোটামুটি ভালো আছে। প্রসূতি মাও ভালো আছেন। তিনি আরো জানান, নবজাতকদের ওজন কম হওয়ায় তাদেরকে পাশের শিশু হাসপাতালে ইনকিবেটর (নিবিড় পর্যবেক্ষন কেন্দ্রে) রাখা হয়েছে। তিনি আরো জানান, স্বাবাভিক সময়ের প্রায় ৫ সপ্তাহ আগে প্রসূতি মায়ের সিজারিয়ান অপারেশন করা হয়।