নিহত সজনী মিরপুর উপজেলার তালবাড়িয়া ইউনিয়নের রানখড়িয়া গ্রামের সিরাজুল ইসলামের মেয়ে ও ভেড়ামারা উপজেলার ষোলদাগ এলাকার সলিমুদ্দিনের ছেলে লালনের স্ত্রী। এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন নিহতের পরিবার। সজনীর মা সালেহা, পিতা সিরাজুল এবং চাচি আইরিন লাশ সনাক্তকরণ করেন।
নিহতের মা সালেহা বলেন, প্রায় ১৩ বছর আগে পারিবারিকভাবে লালনের সাথে সজনীর বিয়ে হয়। তাদের সংসারে এক ছেলে ও এক মেয়ে সন্তান রয়েছে। কিছুদিন যাবৎ জামাই লালন আমার মেয়েকে নির্যাতন করতো। তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে সজনী পালিয়ে বাবার বাড়ি চলে গিয়েছিল।
.png)

তিনি আরো জানান, গত ১৬ ফেব্রুয়ারি লালন শশুর বাড়ি গিয়ে স্ত্রীকে জোর করে নিয়ে আসেন। ১৭ ফেব্রুয়ারি রাতে সজনীর মাকে ফোনে করে লালন জানায়, সজনীকে পাওয়া যাচ্ছে না। ঘটনার একদিন পর শনিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সজনীর অগ্নিদগ্ধ বিকৃত লাশ পাওয়া যায়।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, সজনীর স্বামী তাকে পুড়িয়ে হত্যা করেছে। তদন্ত করে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি ভুক্তভোগীর পরিবারের।
এবিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভেড়ামারা-দৌলতপুর সার্কেল) ইয়াসির আরাফাত বলেন, শনিবার বিকালে নিহতের পরিবারের সদস্যরা ভেড়ামারা থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করতে আসলে উদ্ধারকৃত মরদেহ দেখালে তাদের মেয়ে বলে শনাক্ত করেন। মরদেহটি ময়না তদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।