শনিবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে টেকনাফের কেরুনতলী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার খায়রুল আমিন উখিয়ার কুতুপালং রেজিস্টার ক্যাম্প-১ এর এফ ব্লকের মৃত মোস্তাফিজের ছেলে।
রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে এতথ্য জানান র্যাব-১৫ কক্সবাজার কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক (ল অ্যান্ড মিডিয়া) ও সহকারী পুলিশ সুপার মো. বিল্লাল উদ্দিন ।
.png)
র্যাব জানায়, টেকনাফের কেরুনতলী এলাকায় খায়রুল আমিন ডাকাত গ্রুপ এক আতঙ্কের নাম। দীর্ঘদিন ধরে তারা খুন, গুম, অপহরণ, চাঁদাবাজি, ডাকাতি ও ইয়াবা ব্যবসা করে আসছেন। রাত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এলাকার আতঙ্ক সৃষ্টি করে এই ডাকাত গ্রুপ। এ তথ্যের ভিত্তিতে খায়রুল আমিনকে ধরতে গত দু-তিনমাস ধরে নজরদারি বৃদ্ধি করে র্যাব।
শনিবার রাতে র্যাব-১৫ জানতে পারে ডাকাতদলের প্রধান খায়রুল আমিন টেকনাফ উপজেলার কাস্টমঘাট এলাকায় অবস্থান করছেন। পরে রাত ১১টার দিকে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে র্যাব। এ সময় তার দেহ তল্লাশি করে একটি দেশীয় পিস্তল ও দুই রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।
র্যাব আরো জানায়, ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে খায়রুল আমিন জানান, একদল ডাকাত টেকনাফ থানার কেরুনতলীর গভীর অরণ্যে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ অবস্থান করছে। পরে গভীর রাতে আসামিকে সঙ্গে সেখানে অভিযান চালায় র্যাব।
র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাতরা একটি বস্তা ফেলে অন্ধকারের মধ্যে পাহাড়ের ভেতরে পালিয়ে যান। পরে বস্তার ভেতর হতে তিনটি একনলা বন্দুক, দুটি থ্রি-কোয়ার্টারগান ও ছয় রাউন্ড তাজা কার্তুজ পাওয়া যায়।
র্যাব কর্মকর্তা বিল্লাল উদ্দিন জানান, উদ্ধার অস্ত্র ও গোলাবারুদ নাশকতা এবং ডাকাতি করার উদ্দেশ্যে মজুত করা হয়েছিল বলে স্বীকার করেছেন গ্রেফতার আসামি। তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থাগ্রহণ করা হয়েছে ।