চন্দ্রশীলা পৌরশহরের টেংগাপাড়া কলেজ রোড এলাকার মাসুদুর রহমানের মেয়ে। সে মোহনগঞ্জ সরকারি কলেজে এইচএসসি প্রথম বর্ষে মঙ্গলবার (২২ ফেব্রুয়ারি) ভর্তি হয়।
চন্দ্রশীলার দাদার ভিটা টেংগাপাড়ায় হলেও তার বাবা মাসুদুর রহমান শ্বশুরবাড়ি আটপাড়ায় থাকতেন। এখানে কোনো ঘর তুলেননি। তাই আটপাড়া স্কুল থেকে এসএসসি পাশ করলেও ভর্তির আগে থেকে কিছুদিন ধরে চাচার বাসাতেই থাকতো চন্দ্রশীলা।
.png)
পরিবার ও প্রতিবেশীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চন্দ্রশীলা তার মামার বাড়ি পাশের আটপাড়া উপজেলার একটি বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাশ করে। মঙ্গলবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মোহনগঞ্জ সরকারি কলেজে এইচএসসি প্রথম বর্ষে ভর্তি হয়। আর এদিন দিবাগত রাতেই গলায় ওড়না পেচিয়ে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে।
তারা আরো জানান, প্রতিদিনের মতো রাতে খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ে চন্দ্রশীলা। বুধবার সকাল সাতটার দিকে তার চাচা-চাচি চা বানানোর জন্য কক্ষে প্রবেশ করেই ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় চন্দ্রশীলকে দেখে চিৎকার করলে প্রতিবেশীরা ছুটে আসে। পরে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়।
চন্দ্রশীলার বাবা মাসুদুর রহমান বলেন, আমার মেয়ে একটু জেদি প্রকৃতির ছিল। পারিবারিক কিছু রাগ ঝগড়া ছিল। যেমনটা সব পরিবারেই থাকে। হয়তো এ কারণেইে সে আত্মহত্যা করে থাকতে পারে। এ ছাড়া আর কোনো কারণ দেখছি না। কারো প্রতি তার কোন অভিযোগ নেই বলে জানান তিনি।
মোহনগঞ্জ থানার এসআই আব্দুল্লাহ আল মোমেন এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, সুরত হাল রিপোর্ট তৈরি করে লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে এটিকে আত্মহত্যা বলে দাবি করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলেই মনে হলেও ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা করা হয়েছে।