রোববার ভোরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া আখাউড়া থেকে তাকে গ্রেফতার করেছে। এ নিয়ে এ পর্যন্ত মামলার ৫ আসামিকে গ্রেফতার করেছে জানায় র্যাব। ওমান গ্রেফতারের খবরে এলাকায় জনমনে স্বস্তি নেমে এসেছে।
জানা যায়, ওমান পৌর শহরের ভৈরবপুর উত্তরপাড়ার বাসিন্দা। তার বাবার নাম অহিদ মিয়া। চার বছর আগ থেকে ভৈরবে ওমান বাহিনীর উত্থান ঘটে। মাদক ব্যবসাসহ নানা অপরাধ কর্মকাণ্ডে এই বাহিনী জড়িত বলে অভিযোগ আছে। ওমানের বিরুদ্ধে ভৈরব থানায় মাদকসহ নানা অপরাধের অভিযোগে একাধিক মামলা আছে।
.png)
গত ২ ফেব্রুয়ারি রাত তিনটার দিকে আধিপত্য বিস্তার করা নিয়ে ঘোড়াকান্দা এলাকায় ওমান বাহিনীর সঙ্গে ঘোড়াকান্দা এলাকার তপু মিয়া ও ছাত্তার মিয়ার লোকজনের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের কথা জেনে কামাল মিয়া এগিয়ে গেলে উমান বাহিনীর লোকজন তাঁকে কুপিয়ে আহত করে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার দুপুরে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় করা দুটি মামলার একটি হত্যা মামলা, অপরটি অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলা। হত্যা মামলার বাদী হয়েছেন নিহত কামাল মিয়ার ভাই জামাল মিয়া।
র্যাব-১৪ ভৈরব ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের জানান, শহরের ঘোড়াকান্দা গ্রামের কামাল মিয়া ও জাকির মিয়ার সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মাদক ব্যবসায়ী ওমানের বিরোধ ছিল। বিরোধের জের ধরে ওমান তার বাহিনী নিয়ে গত ২ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে জাকির মিয়া ও কামাল মিয়ার উপর হামলা চালায়। হামলায় কামাল মিয়া ও জাকির মিয়া গুরুতর আহত হয়। পরে কামাল মিয়া চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওইদিনই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যায়। জাকির মিয়া চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের ভাই জামাল মিয়া বাদী হয়ে ঐ দিন রাতেই ভৈরব থানায় ২৩ জনের নাম উল্ল্যেখসহ অজ্ঞাত নামা ৪-৫ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।