সোমবার বিকেলে বগুড়ার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-২ এর বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবির এ. রায় ঘোষণা করেন। আদালতে সামাদের উপস্থিতিতেই রায় ঘোষণা করা হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত ৬০ বছর বয়সী আব্দুস সামাদ বগুড়ার কাহালু উপজেলার বীরকেদার দক্ষিণপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
.png)
জানা গেছে, আব্দুস সামাদ একজন মুদি দোকানি। ২০০৬ সালের ৭ জুলাই ভুক্তভোগী কিশোরী তার দোকানে কিছু জিনিস কিনতে যায়। ওই সময় সামাদ কিশোরীকে তার বাড়িতে পান পৌঁছে দিতে অনুরোধ করেন। কিশোরী তার কথামত পান নিয়ে সামাদের বাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন। কিন্তু সামাদ তার পরিকল্পনা মোতাবেক কিশোরীর পিছু নেন। মেয়েটি গ্রামের বাঁশবাগান পার হওয়ার সময় সামাদ তাকে জাপটে ধরে ধর্ষণ করেন।
এ ঘটনায় একই বছরের ১৩ জুলাই সামাদকে আসামি করে কাহালু থানায় ধর্ষণ মামলা করেন কিশোরীর মা। পরে ২০০৬ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর আব্দুস সামাদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তৎকালীন কাহালু থানার এসআই সুধন বড়ুয়া।
বগুড়ার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-২ এর পিপি আশেকুর রহমান সুজন জানান, সামাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়। একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরো এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেয়া হয়েছে। আদালতের রায় ঘোষণা শেষে তাকে কারাগারে নেয়া হয়।