ওই গৃহবধূর স্বামী জানান, প্রতিদিনের মতো রাতের খাবার খেয়ে তারা যে যার মতো ঘুমিয়ে পড়েন। রাত ১টা থেকে দেড়টার মধ্যে তাদের বসতঘরের সামনের অংশে সিঁধ কেটে চারজন মুখোশধারী ভেতরে প্রবেশ করে। এরপর দেশীয় অস্ত্রের মুখে তার ও ছেলের হাত-পা ও মুখ বেঁধে একটি কক্ষে আটকে রাখে দুর্বৃত্তরা। পাশের কক্ষে তারা তার স্ত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে।
আরো পড়ুন: বাড়ি ফেরার পথে লাশ হলেন সাবেক ইউপি সদস্য
.png)
পরে ঘরে থাকা পাঁচ হাজার টাকা, পৌনে দুই ভরি স্বর্ণালংকার এবং দুই বস্তা শুকনা সুপারি নিয়ে রাত ৪টার দিকে তারা চলে যায়। ভোররাতে ছেলে কৌশলে নিজেকে ও তাকে বাঁধনমুক্ত করে প্রতিবেশীদের ঘটনা জানায়।
খবর পেয়ে মোরেলগঞ্জ থানার ওসি মো. ইকবাল বাহার চৌধুরী ও এসআই জাহাঙ্গীর আলম গিয়ে ওই পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন। গতকাল দুপুর ২টার দিকে মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সনিয়া পারভীনও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
ওসি ইকবাল বাহার চৌধুরী বলেন, প্রাথমিকভাবে ঘটনার সত্যতা মিলেছে। ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য গৃহবধূকে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।