সোমবার দুপুরে গ্রেফতার পাঁচজনকে আদালতে নেয়া হলে মোহন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। আর বাকি চারজন কিশোর হওয়ায় তাদেরকে যশোর কিশোর সংশোধনী কেন্দ্রে পাঠানোর নির্দেশ দেয় আদালত।
এর আগে রোববার রাতে সদরের ইসলামপুর হরিগাড়ী এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার হওয়া ২০ বছর বয়সী মোহন ইসলামপুর হরিগাড়ী এলাকার জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে।
.png)
এ তথ্য নিশ্চিত করেন সদর থানার পরিদর্শক (অপারেশন) শাহিনুজ্জামান।
পুলিশ জানায়, ধর্ষণের শিকার ওই নারী ইসলামপুর হরিগাড়ী এলাকার একটি জুট মিলের শ্রমিক। গ্রেফতাররাও একই জুট মিলের শ্রমিক।
গত ১১ মার্চ রাতে শ্রমিকরা কারখানায় পিকনিকের (বনভোজন) আয়োজন করেন। নৈশভোজ শেষে কারখানার কোয়ার্টারে ফেরার পথে ঐ নারী তার মুঠোফোন হারিয়ে ফেলেন। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তিনি মুঠোফোনটি পাচ্ছিলেন না। এ সময় মোহন তাকে মুঠোফোনের সন্ধান দিতে চান এবং তার সঙ্গে যেতে বলেন। মোহনের কথা অনুযায়ী জুট মিলের পাশে পুকুর পাড়ে যান ওই নারী। সেখানে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন তিনি। পরে তারা ওই নারীকে বলেন এই বিষয়টি কাউকে জানালে তাকে হত্যা করা হবে।
পরবর্তীতে রোববার রাত আটটার দিকে ধর্ষণের শিকার ওই নারী সদর থানায় মামলা করেন। মামলায় মোহনসহ পাঁচজনের নাম উল্লেখ করা হয় এবং আরো দুজনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়।
পুলিশ কর্মকর্তা শাহীনুজ্জান জানান, মামলার পরপরই অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারদের মধ্যে চারজন কিশোর হওয়ায় তাদের যশোর কিশোর সংশোধনী কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।