তিনি রায়পুর থানায় দায়েরকৃত একটি মাদকের মামলার আসামি হিসেবে কারাগারে বন্দি ছিলেন। এর আগে রায়পুর থানা পুলিশ গত ৭ মার্চ তাকে ইয়াবা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে প্রেরণ করে।
শাহেদ সদর উপজেলার দালালবাজার ইউপির করইতলা গ্রামের আবদুল হক ব্যাপারী বাড়ির আবুল কাশেমের ছেলে ও একজন নির্মাণ শ্রমিক। তার স্ত্রী এবং ৬ বছর বয়সী মেয়ে সাময়া আক্তার ও জাহিদ নামে ৫ মাস বয়সী একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।
.png)
সদর থানার উপপরিদর্শক আবুল বাসার বলেন, লাশ সদর হাসপাতালে রাখা হয়েছে। একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হবে।
লক্ষ্মীপুর জেলা কারাগারের জেলার রফিকুল কাদের বলেন, সকাল সোয়া ১০ টার দিকে শাহেদ হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। এ সময় তাকে দ্রুত সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, সকালে কারারক্ষীরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসে। আমরা পরীক্ষা করে তাকে মৃত পাই।
শাহেদের বোন জেসমিন আক্তার বলেন, ‘আমার ভাই রাজ মেস্তুরীর (নির্মাণ শ্রমিক) কাজ করে সংসার চালাতো। মঙ্গলবার দুপুরে মায়ের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলেছে। এ সময় সে আমাদের খোঁজ-খবর নেয়। আজ সকালে তার মৃত্যুর খবর পেয়েছি।’
তাদের দাবি ‘পু্লিশ তাকে ধরে এনে ইয়াবার মামলা দিয়েছে। তাকে ষড়যন্ত্র করে ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে।’
রায়পুর থানার ওসি শিপন বড়ুয়া বলেন, গত ৬ মার্চ শাহেদকে ইয়াবাসহ গ্রেফতার করে পরদিন কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। কারাগারে সে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে হাসপাতালে নেয়ার পর সে মারা যায়।