গ্রেফতারকৃত মাদ্রাসাশিক্ষক আব্দুর রহিম শেরপুর জেলার শ্রীবরদী থানার ভায়াডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে টঙ্গীর খাঁ পাড়া এলাকার মারকাজুল উম্মাহ আল-ইসলামী বাংলাদেশ নামে একটি মাদরাসায় কর্মরত ছিলেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহ্ আলম।
.png)
পুলিশ ও ভুক্তভোগীর স্বজনরা জানান, টঙ্গীর মারকাজুল উম্মাহ আল-ইসলামী বাংলাদেশ নামে মাদরাসার আবাসিক বিভাগ থেকে পড়াশোনা করত ছাত্রটি। ঐ মাদরাসার শিক্ষক আব্দুর রহিম গত রোববার রাতে পড়ানোর কথা বলে মাদরাসার আবাসিক বিভাগ থেকে ঐ ভুক্তভোগী ছাত্রকে নিজ কক্ষে ডেকে নেন। পরে সেখানে তাকে বলাৎকার করেন। ঘটনাটি প্রকাশ না করতে ছাত্রকে নানা ধরনের ভয়ও দেখান তিনি।
সোমবার সকালে ছাত্রের বাবা তাকে দেখতে এসে শারীরিক অসুস্থতার কথা জানতে পারেন। ঘটনা জানতে মাদরাসাছাত্রকে জিজ্ঞেস করেন তার বাবা। পরে ছাত্রটি বিস্তারিত জানায় তার বাবাকে। তার বাবা থানা পুলিশকে বিষয়টি জানালে অভিযুক্ত শিক্ষক পালিয়ে যান। মঙ্গলবার তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় রাজধানী ঢাকার বেশ কিছু এলাকায় অভিযান চালিয়ে শিক্ষককে গ্রেফতার করা হয়।
টঙ্গী পশ্চিম থানার ওসি মো. শাহ্ আলম জানান, এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা করা হয়েছে।