সোমবার ঘটনার পর খবর পেয়ে শিশু দুটিকে উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে ভুক্তভোগী এক শিশুর বাবা টঙ্গী পূর্ব থানায় অভিযোগ করেন। অভিযুক্ত শাহ আলম টঙ্গীর মাছিমপুর এলাকার জামিয়া গাফুরিয়া মাখযানুল উলুম মাদরাসা ও এতিমখানার শিক্ষক।
আরো পড়ুন: টেকনাফ থেকে সাড়ে ২২ কোটি টাকার আইস উদ্ধার
.png)
ভুক্তভোগী এক শিশুর বাবা জানান, মঙ্গলবার তার ছেলে ঘটনাটি জানায়। ওইদিন আরেক শিশুর ওপরও নির্যাতন চালান ওই শিক্ষক। পরে ঘটনাটি জানাজানি হলে মাদরাসা কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষকরা বিষয়টি অর্থের বিনিময়ে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন এবং বিভিন্ন হুমকি-ধামকি দেন।
এ বিষয়ে টঙ্গী পূর্ব থানার ওসি জাভেদ মাসুদ বলেন, এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষক পলাতক রয়েছেন, তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।