কাস্টম হাউসের ডেপুটি কমিশনার মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন রিজভী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, নিয়ম অনুযায়ী বিমানবন্দরে লাগেজ স্ক্যানিংয়ের সময় মোহাম্মদ তৈয়ব নামে একজনের লাগেজ থেকে ২৪০ মিনি কার্টন সিগারেট ও ৪০ পিস ড্রাই টোবাকো এবং মোহাম্মদ হারুন রশীদের লাগেজ থেকে ২০০ মিনি কার্টন ইজি ব্রান্ডের সিগারেট ও ২৫০ পিস ড্রাই টোবাকো পাওয়া যায়। তারা দুজনই শারজাহ থেকে আসা এয়ার অ্যারাবিয়ার জি-৯৫২২ ফ্লাইটের যাত্রী।
.png)
ডেপুটি কমিশনার সালাহউদ্দিন রিজভী বলেন, শর্তসাপেক্ষে আমদানিযোগ্য উচ্চশুল্কের এসব পণ্য বেআইনিভাবে বহন করে ১৩ লাখ টাকা রাজস্ব ফাঁকির চেষ্টা করা হয়েছিল। শুল্ক আইন ১৯৬৯ এবং প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী উদ্ধারকৃত পণ্য রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।