বিবাহিত নারীর প্রেমে পড়ে স্ত্রীকে হত্যার পর ঝুলিয়ে রাখলেন স্বামী
বগুড়ার ধুনটে মিথিলা খাতুন নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি স্বজনদের।
শুক্রবার সকালে লাশটি বগুড়া শহিদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এর আগে, বৃহস্পতিবার রাতে ধুনট উপজেলার চর জোলাগাঁতি গ্রাম থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত ২২ বছর বয়সী মিথিলা উপজেলার পিরহাটি গ্রামের ভ্যানচালক রেজাউল করিমের মেয়ে। তার স্বামীর নাম ইয়ামিন। ২৫ বছর বয়সী ইয়ামিন চর জোলাগাঁতি গ্রামের সাইফুর রহমানের ছেলে। পেশায় তিনি নির্মাণ শ্রমিক।
.png)
ইউপি সদস্য মো. আশরাফ আলী বলেন, মিথিলা ও ইয়ামিনের প্রায় আট বছরের সংসার ছিল। সম্প্রতি তাদের দাম্পত্য জীবনে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কলহের সৃষ্টি হয়। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার রাতে মিথিলার সঙ্গে কী ঘটেছিল তা জানা নেই। রাতে মিথিলা আত্মহত্যা করেছেন বলে খবর পাই। কিন্তু ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি লাশ নামিয়ে রেখেছেন মিথিলার স্বামী ইয়ামিন।
মিথিলার বাবা রেজাউল করিম বলেন, এক নারীর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে মিথিলার স্বামী। এ কারণে পরিকল্পিতভাবে মিথিলাকে শ্বাসরোধে হত্যার পর লাশ ঝুলিয়ে রাখা হয়। পরে প্রচার চালানো হয় মিথিলা আত্মহত্যা করেছে।
ধুনট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. রাজ্জাকুল ইসলাম জানান, ইয়ামিনের সঙ্গে এক নারীর পরকীয়ার সম্পর্ক রয়েছে বলে অভিযোগ করেছে মিথিলার বাবা। সম্পর্কে লিপ্ত হওয়ার পর থেকেই মিথিলাকে প্রায়ই নির্যাতন করতেন ইয়ামিন। এরই জেরে মিথিলাকে হত্যা করা হয়েছে বলছেন মিথিলার বাবা। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে।