অন্যদিকে, স্কুলছাত্রী খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় দিঘলিয়া থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের হয়েছে।
কিশোরীর মায়ের থানায় দাখিল করা এজাহার থেকে জানা যায়, রোববার সকাল পৌনে দশটার দিকে স্কুলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মেয়েটি তার সহপাঠিদের সঙ্গে বাড়ি থেকে বের হয়। বেলা ১১ টার দিকে ওই এলাকার আমবাগানের দক্ষিণ পাশে পাকা রাস্তার ওপর পৌঁছালে মেয়েটির পূর্ব পরিচিত যুবক শান্ত ও তার অপর দুই বন্ধু মুন্না এবং বিল্লাল মেয়েটির গতিরোধ করে তাকে ভয়ভীতি দেখায়। এ সময় চড়-থাপ্পর মেরে মেয়েটিকে তাদের সঙ্গে যেতে বলে। মেয়েটি তাদের সঙ্গে যেতে রাজি না হলে শান্ত তার হাতে থাকা হাতুড়ি দিয়ে ভয়-ভীতি দেখায়। একপর্যায়ে মেয়েটিকে ভয় দেখিয়ে আমবাগানের ভেতর নিয়ে ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে শান্তর অপর দুই বন্ধু মুন্না এবং বিল্লাল মেয়েটিকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে মেয়েটির আত্মচিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসে।
.png)
খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে দিঘলিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ মো. আহসান উল্লাহ চৌধুরী, ইন্সপেক্টর (তদন্ত) রিপন কুমার সরকারের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে এলাকাবাসীর সহায়তায় ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত তিনজনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। খবর পেয়ে ঘটনার দিন দুপুরে খুলনা ‘ক’ অঞ্চলের সার্কেল অফিসার রাজু আহন্মেদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে কিশোরীটির মা বাদী হয়ে গণধর্ষণের অপরাধে দিঘলিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। আসামিরা হলো, মো. শান্ত বিশ্বাস, মুন্না ও বিল্লাল শেখ।
ইন্সপেক্টর (তদন্ত) রিপোর্ট কুমার সরকার জানান, দুই আসামির বয়স ১৮ বছরের নিচে বিধায় তাদের অপরাধের বিচার শিশু আইনে হতে পারে। আসামিরা সোমবার আদালতে অপরাধের দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে।