গ্রেফতারকৃত ফিরোজ হোসেন রাণীনগর উপজেলার মধুপুর গ্রামের রেজাউল ইসলামের ছেলে। বুধবার দুপুরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
জানা গেছে, ২০১৫ সালের ২৩ জানুয়ারি রাণীনগর উপজেলার ভান্ডারপুর গ্রামের হোসেন আলীর মেয়ে হাসিনা বেগমকে বিয়ে করেন পাশের মধুপুর গ্রামের ফিরোজ হোসেন। বিয়ের দিন জামাইকে ব্যবসা করার জন্য ১ লাখ টাকা যৌতুক হিসেবে দেন হাসিনার বাবা। কিছুদিন পর থেকেই ফিরোজ আরো ১ লাখ টাকার জন্য স্ত্রী হাসিনাকে চাপ দিতে থাকেন। হাসিনা রাজি না হওয়ায় স্বামী ও পরিবারের লোকজন তার ওপর নির্যাতন শুরু করে।
.png)
গত ২২ ফেব্রুয়ারি স্বামীর সঙ্গে যৌতুক নিয়ে হাসিনার চরম বাক্বিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে স্বামী ফিরোজের কয়েকজন আত্মীয়ের নির্যাতনে হাসিনা অজ্ঞান হয়ে পড়েন। ঐ সময় স্বামীসহ অন্যরা কাঁচি দিয়ে হাসিনার চুল কেটে ফেলেন, পরে তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেন। এ ঘটনায় নির্যাতনের শিকার হাসিনা বেগম বাদি হয়ে স্বামীসহ কয়েক জনের নাম উল্লেখ করে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি নওগাঁর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ ট্রাইবুনাল আদালত-১ এ মামলা করেন।
রাণীনগর থানার ওসি শাহিন আকন্দ জানান, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী গত ১৩ মার্চ থানায় মামলা রের্কড করা হয়। ঘটনার পর থেকেই মূল হোতাসহ আসামিরা পলাতক। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ মঙ্গলবার রাতে অভিযান চালিয়ে চট্টগ্রামের চান্দগাঁও উপজেলার বরিশাল বাজার এলাকা থেকে বাদীর স্বামী ফিরোজকে গ্রেফতার করে। বুধবার তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।