বুধবার সকালে র্যাব কুমিল্লার অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
র্যাব-১১, সিপিসি-২ কুমিল্লা জানায়, জেলার নাঙ্গলকোট পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বপূর্ব দোয়ারা (কোদালিয়া) এলাকায় অভিযান চালিয়ে কাভার্ডভ্যানের ভেতর গ্যাস সিলিন্ডার স্থাপন করে অবৈধভাবে সিএনজি গ্যাস সরবরাহের সময় দুইজনকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়।
.png)
গ্রেফতারকৃতরা হলেন জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার বসন্তপুর গ্রামের অলিউর রহমানের ছেলে মো. সুমন ফরাজী এবং একই থানার তুলাসার গ্রামের ইয়াকুব মৃধার ছেলে মো. ইবনে সাইদী জুবায়েদ হোসেন।
র্যাব জানায়, এই চক্রটি মূলত সিএনজি ফিলিং স্টেশনের আড়ালে সরাসরি গাড়িতে জ্বালানী সরবরাহ করতো। পাশাপাশি বিশেষ প্রক্রিয়ায় কাভার্ডভ্যানের ভেতর সিলিন্ডার স্থাপন করে মিটার ব্যতীত মূল গ্যাস লাইন থেকে গ্যাস মজুদ করে। পরে তা অবৈধভাবে কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে এবং যেসব এলাকায় গ্যাস সংযোগ নেই সেসব এলাকার বিভিন্ন কারখানায় চড়ামূল্যে বিক্রি করে।
এছাড়াও এই চক্রটি সিএনজি গ্যাস সংগ্রহ করে বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমাণ সিএনজি স্টেশন স্থাপন করে প্রতি ঘনফুট প্রচলিত বাজার মূল্যের চেয়ে অধিক মূল্যে বিক্রি করে আসছিল। সিএনজি স্টেশনে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত টাকার পরিবর্তে চোরাই পথে চড়া দামে বিক্রি করে। এভাবে অবৈধভাবে গ্যাস চোরাই পথে সরবরাহ ও বিক্রির সময় বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। এর পাশাপাশি মিটার ব্যতীত এই গ্যাস বিক্রির ফলে সরকার বিপুল আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে।