গ্রেফতারকৃতরা হলেন- কলেজছাত্র তাছিন মোড়ল ও সাব্বির ফরাজী। মঙ্গলবার ঢাকার আশুলিয়া থানার গাজীরচট এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
সিআইডি জানায়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সময় ইভটিজিং ও হট্টগোলের প্রতিবাদ করায় আলিফকে হত্যা করা হয়। পরে এ ঘটনায় একটি মামলা হয়।
.png)
বুধবার রাজধানীর মালিবাগে সিআইডির প্রধান কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিশেষ পুলিশ সুপার মুক্তা ধর বলেন, ঘটনাটি দেশজুড়ে বেশ চাঞ্চল্য সৃষ্টি করলে সিআইডি ছায়া-তদন্ত শুরু করে। এক পর্যায়ে সংগৃহীত বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে ঘটনার সঙ্গে রি-ইউনিয়ন স্কুল অ্যান্ড কলেজে অধ্যয়নরত তাছিন ও সাব্বিরসহ কয়েকজনের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়। এরপর সিআইডি ঢাকার আশুলিয়া থানার গাজীরচট এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যার দায় স্বীকার করেছে।
সিআইডি জানায়, ফুলতলার পায়গ্রাম কসবার বাসিন্দা আলিফের বাড়ির পাশে রহমানিয়া এলিমেন্টারি স্কুল নামে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা চলছিল। এ মামলার আসামিরা ঐ অনুষ্ঠানে গিয়ে মেয়েদের উত্যক্ত করাসহ হট্টগোল করতে থাকলে আলিফ এলাকার অন্য ছেলেদের নিয়ে প্রতিবাদ করেন। এরই জেরে তাছিন, সাব্বির ও শান্ত গাজীসহ অন্যরা আলিফকে দেখে নেয়ার হুমকি দেয়।
গত ৩১ মার্চ সকালে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী আসামিরা আলিফকে এমএম কলেজ মাঠে আক্রমণ করে। সাব্বিরের হুকুমে তাছিন হাতে থাকা ধারালো ছুরি দিয়ে আলিফের বুকের ডান পাশে আঘাত করে। অন্যরাও বিভিন্নভাবে তাকে আঘাত করে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় সহপাঠীরা তাকে ফুলতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেন। সেখানে নেয়ার পর আলিফকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।