বুধবার দুপুরে উপজেলার ফতুল্লার ইসদাইর রেললাইন সংলগ্ন রাজ্জাকের ভাঙারি দোকানে এ ঘটনা ঘটে। আটকের নাম ওয়াসিম। তিনি একই এলাকার ভাঙারি রাজ্জাকের ছেলে।
নিহত ৩০ বছর বয়সী শামীম মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার পাড়াগাঁও গ্রামের আলমগীর হোসেনের ছেলে। তবে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে ফতুল্লার দাপা ইদ্রাকপুর এলাকায় শহিদ হোসেনের বাড়িতে ভাড়া থেকে গ্যাস সিলিন্ডারের ব্যবসা করতেন।
.png)
স্থানীয়রা জানায়, পত্রিকায় মাদকের সংবাদ প্রকাশের জেরে বুধবার সকালে চাষাড়া আদর্শ ইসদাইরে শামীমের সঙ্গে জামালের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে শামীম-জামালকে নিজের ভাঙারি দোকানে টেনে নিয়ে যান রাজ্জাক। এ সময় শামীমের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হলে দোকান থেকে বেরিয়ে যান জামাল।
জামাল জানান, পত্রিকায় মাদক নিয়ে সংবাদ প্রকাশ হওয়ায় শামীমের ওপর অভিযোগ তোলেন রাজ্জাক। এ নিয়ে রাজ্জাকের নেতৃত্বে জসিম, জাকির, আলম, মহসিন, আলী, ওয়াসিমসহ প্রায় ১১ জন মিলে তাকে ও শামীমকে দোকানে নেয়া হয়। এরপর দোকান আটকে মারধর শুরু করেন। একপর্যায়ে তিনি প্রাণে বেঁচে ফিরলেও শামীমকে তারা কুপিয়ে হত্যা করেন।
নিহতের স্ত্রী শর্মী বলেন, দুপুর সাড়ে ১২টায় কোনো একজন ফোন করে জানান তোমার স্বামীকে রাজ্জাকের ভাঙারির দোকানে রাজ্জাকসহ কয়েকজন মিলে কুপিয়ে ও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেছে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে এসেও স্বামীকে জীবিত পাইনি।
ফতুল্লা মডেল থানার ওসি রকিবুজ্জামান জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে কী কারণে হত্যা করা হয়েছে তা এখনো জানা যায়নি।