নাজিরপুর ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার মো. হান্নান বলেন, এক বছর আগে পারিবারিকবাবে মাছুমের সঙ্গে হারুনের মেয়ে সমুাইয়ার বিয়ে সম্পন্ন হয়। এরপর থেকে তাদের মধ্যে পারিবারিক দ্বন্দ্ব লেগেই থাকতো। এ কারণে তিন মাস আগে মাছুমকে তালাক দেন সুমাইয়া।
সোমবার বিকেলে বিয়ের সময় মাছুমের দেওয়া সব মালামাল ফেরত দেওয়ার নির্ধারিত দিন ছিল। এরই মধ্যে হারুন খবর পান তার মেয়ে নানাবাড়ি গেছে। সেখান থেকে আসার পথে সুমাইয়াকে অপহরণ করবে তার তালাকপ্রাপ্ত স্বামী ও পরিবারের লোকজন।
.png)
এরপর হারুন দ্রুত তার মেয়েকে নৌকাযোগে বাড়ি পাঠিয়ে দেন। বিষয়টি অভিযুক্তরা জানতে পেরে হোসনাবাদ লঞ্চঘাট এলাকায় গিয়ে হারুনের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে। এরপর ছেলে-বাবা মিলে হারুনকে শ্বাসরোধে হত্যা করে বলে জানান স্থানীয়রা।
এ ব্যাপারে গৌরনদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আফজাল হোসেন বলেন, হোসনাবাদ এলাকা থেকে হারুন মৃধার লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। লাশ শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। কীভাবে হারুনের মৃত্যু হয়েছে সে বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।