সোমবার দুপুর দেড়টার দিকে মহানগরীর ছোট মির্জাপুর এলাকার একটি বাড়ি থেকে তাদের আটক করে খুলনা মহানগর গোয়েন্দা শাখার সদস্যরা।
মহানগর গোয়েন্দা শাখার ডিসি বিএম নুরুজ্জামান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মির্জাপুর এলাকায় আসামি সাঈদের ভাড়া করা বাসায় অভিযান চালানো হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে পড়ে। জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে জানায় তাদের কাছে জাল নোট আছে। একপর্যায়ে তারা টাকা বের করে দেয়।
.png)
তিনি আরো বলেন, জাল নোট ব্যবসার মূল হোতা হচ্ছে মো. জমির উদ্দিন। তিনি ৩০ হাজার টাকায় এক লাখ জাল টাকা ক্রয় করেন। ভিড়ের মধ্যে মালামাল কিনতে গিয়ে মূলত টাকা ব্যবহার করা হয়। সামনে ঈদ। এটাকে সামনে রেখে এ চক্রটি মাথা চড়া দিয়ে উঠেছিল। সঠিক সময়ে সংবাদ জানতে পেরে তাদের আটক করা হয়েছে। তবে তাদের বিরুদ্ধে খুলনা সদর থানায় ১৯৭৪ সালে বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫ ধারায় মামলা করা হয়েছে।
জাল নোটের ব্যবসায়ী মো. জমির জানান, এক লাখ জাল টাকা ৩০ হাজার টাকায় কিনতে হয় তাকে। তিনি এ টাকা গোপালগঞ্জ এলাকার একজন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ক্রয় করেছেন। শনিবার ঐ ব্যবসায়ীকে বিকাশের মাধ্যমে ৩০ হাজার টাকা প্রেরণ করলে রোববার এ টাকা খুলনায় এক ব্যক্তির মাধমে পাঠিয়ে দেন তিনি। জাল নোটের কারবার তিনি চার বছর ধরে করছেন। এর আগে একবার এ ব্যবসা করতে গিয়ে তিনি পুলিশে কাছে আটক হন। খুলনায় গত দু’বছর আগে সাঈদ নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে তার পরিচয় হয়। তার বাসায় থেকে এ ব্যবসা করছিলেন।
জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, আটককৃতরা দীর্ঘদিন ধরে খুলনা মহানগরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ জাল টাকার ব্যবসা করে আসছে। আটককৃত ১ নম্বর আসামি মো. জমির উদ্দিন এর বিরুদ্ধে তিনটি মামলা এবং ২ নম্বর আসামি মো. সাইদ এর বিরুদ্ধে ৫টি মামলা রয়েছে।