গ্রেফতারকৃত আবদুল হাই ঐ উপজেলার চরদরবেশ ইউনিয়নের উত্তর চরদরবেশ গ্রামের মো. মোস্তফার ছেলে। গ্রেফতার এড়াতে নদীতে ঝাঁপ দিয়েছিলেন তিনি, তবু শেষ রক্ষা হয়নি তার।
পুলিশ জানায়, আবদুল হাই দীর্ঘদিন যাবৎ দেশের বিভিন্ন স্থানে ছদ্মবেশে আত্মগোপন করেছিলেন। গত কয়েকমাস ধরে তিনহি ছোট ফেনী নদীতে মাছ ধরছিলেন এবং নৌকায় রাত্রিযাপন করছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশের দুটি দল জেলে সেজে নদীতে ফাঁদ পাতে। মাঝ নদীতে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আবদুল হাই পানিতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মরক্ষার চেষ্টা চালান। পরে পুলিশ সদস্যরা সাঁতার কেটে তাকে গ্রেফতার করেন।
.png)
উল্লেখ্য, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ২০২১ সালের ৩১ মে উত্তর চরদরবেশ গ্রামের হাদা ব্যাপারীর দোকান এলাকায় কৃষক বেলায়েত হোসেন বেলালকে কুপিয়ে হত্যা করে প্রতিপক্ষ। ঐ ঘটনায় আবদুল শুক্বুর, তার ছেলে আবুল হাসেম, ভাই আবদুল মালেক, জামাই নিজাম উদ্দিন, নাতি আনোয়ার হোসেন মিন্টুসহ ১০ জনের নাম উল্লেখ এবং ৩-৪ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা করেন নিহতের ভাই আমির হোসেন ননা মিয়া।
ঐ মামলায় ১০ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন সোনাগাজী মডেল থানার এসআই নিয়াজ মোহাম্মদ খান। আসামিদের মধ্যে আবদুস শুক্কুর ও আবদুল মালেক জামিন পান। বাকিদের মধ্যে সালেহ আহম্মদ লাতু, শেখ টিপু ও আবুদল হাই পলাতক ছিল। বর্তমানে আবদুল হাইসহ ৬ আসামি গ্রেফতার হয়েছেন, লাতু ও টিপু পলাতক।
সোনাগাজী মডেল থানার ওসি মুহাম্মদ খালেদ দাইয়্যান এসব তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।