অভিযুক্তরা হলেন- ফায়জুল ব্যাপারী, ফায়জুলের বাবা বাবুল ব্যাপারী, মা ফাহিমা বেগম ও চণ্ডিপুর ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শহিদুল হাওলাদার।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, দশম শ্রেণির ওই ছাত্রীর সঙ্গে একই গ্রামের ফায়জুলের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে বিয়ের বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন ফায়জুল। এতে ছেলেকে সহযোগিতা করেন বাবা-মা। বিষয়টি জানাজানি হলে মেয়েটি বিয়ের দাবি তুললেও ফায়জুল এতে রাজি হননি।
.png)
শনিবার এ ঘটনায় মীমাংসার কথা বলে দুই পক্ষকে ডাকেন ইউপি সদস্য শহিদুল। তবে তিনি ফায়জুলের পরিবারের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে মেয়ের পরিবারকে দিয়ে তিনশ টাকার সাদা স্ট্যাম্পে সই করিয়ে নিয়ে তাদের তাড়িয়ে দেন।
টাকা নেয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে শহিদুল বলেন, আমি বিষয়টি মীমাংসার জন্য কয়েকবার বৈঠকে বসেছিলাম। তবে মীমাংসা না হওয়ায় আমাকে ধর্ষণ মামলার আসামি করা হয়েছে। মীমাংসার জন্য কারো কাছ থেকে কোনো টাকাপয়সা নেয়া হয়নি।
পিরোজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) থান্ডার খাইরুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় থানায় মামলা করেছেন ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা। আসামিদের গ্রেফতারে মাঠে নেমেছে পুলিশ।