সোমবার বিকেলে বগুড়া শেরপুর উপজেলার ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের ঘোগা নামক স্থানে ওই দুর্ঘটনা ঘটে। আহতরা বর্তমানে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
নিহতরা হলেন গাইবান্ধা জেলার সদর উপজেলার কলমা বাজার এলাকার ফরিদ উদ্দিনের ছেলে আয়নাল হক। তিনি মৃত ওই নারীর স্বামী। আরেকজন হলেন পিরোজপুর কাউখালি উপজেলার ৩৫ বছর বয়সী দ্বীন ইসলাম। তিনি অ্যাম্বুলেন্স চালক ছিলেন।
.png)
আহতরা হলেন নিহতের ছেলে ফিরোজ আলী, গাইবান্ধা সদর উপজেলার ১০ বছরের শিশু নিজাম। হতাহত সবাই অ্যাম্বুলেন্সের যাত্রী।
জানা গেছে, বিকেলে বগুড়া থেকে শ্যামলী পরিবহনের যাত্রীবাহী একটি বাস ঢাকা যাচ্ছিল। পথে ঘোগা বটতলা এলাকায় ঢাকা থেকে বগুড়াগামী লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সের সঙ্গে বাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান আয়নাল। আহত হন আরও তিনজন। তাদেরকে উদ্ধার করে শজিমেক হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে অ্যাম্বুলেন্স চালক দ্বীন ইসলাম মারা যান।
আরো জানা গেছে, গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় নিহত আয়নালের স্ত্রী ঢাকায় চিকিৎসাধীন ছিলেন। পরে তিনি মারা যান। তার লাশ নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন স্বজনরা। কিন্তু পথেই তারা দুর্ঘটনার শিকার হন।
শেরপুর হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ বানিউল আনাম হতাহতের বিষয় নিশ্চিত করে জানান, দুর্ঘটনার পরপরই বাসের চালক-হেলপার পালিয়ে গেছেন। বাস-অ্যাম্বুলেন্স হেফাজতে নেয়া হয়েছে।
সোমবার রাত সোয়া আটটার দিকে বগুড়া ছিলিমপুর পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই রকিবুল হাসান জানান, নিহত ওই নারীর লাশ তার স্বজনরা নিয়ে গেছেন। তবে সড়ক দুর্ঘটনার নিহত দুজনের লাশ শজিমেক হাসপাতালেই আছে।