সরেজমিনে দেখা গেছে, ১ নম্বর ফেরিঘাট দিয়ে শুধু মোটরসাইকেল পারাপার করা হচ্ছে। এতে যানবাহন পারপার সহজ হয়েছে। ঘাটে গাড়িগুলোকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে না। সকাল সোয়া ১০টা পর্যন্ত ৭টি ফেরি এ ঘাট থেকে শুধু মোটরসাইকেল নিয়ে ছেড়ে গেছে। এরপরও মোটরসাইকেলের সারি কমছে না। বরং ঢাকা থেকে নতুন করে মোটরসাইকেল এসে যোগ হচ্ছে এ ঘাটে।
এদিকে লঞ্চঘাটগুলোতেও যাত্রীর উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। যাত্রীরা ঘাটে এসে লঞ্চের অপেক্ষায় লাইনে থাকছেন। ঘাটে ওপার থেকে কোনো লঞ্চ আসলে তবেই লঞ্চে যাত্রী উঠতে পারছেন।
.png)
অপরদিকে স্পিডবোট ঘাটে কিছুটা অনিয়ম দেখা গেছে। লাইফ জ্যাকেট ছাড়া অনেক বোটকে অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে ঘাট ছেড়ে যেতে দেখা গেছে।
লৌহজংয়ের ইউএনও মো. আব্দুল আউয়াল জানান, শুক্রবার মোটরসাইকেলের জন্য ঘাটের মুখগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় যানবাহন পারাপারে বেলা ১২টা পর্যন্ত স্থবিরতা নেমে আসে। শনিবার ১ নম্বর ফেরিঘাট দিয়ে শুধুমাত্র মোটরসাইকেল পারাপার করায় এখন যানবাহন পারপার হচ্ছে সহজেই।