শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে বগুড়ার কাহালু উপজেলার বামুজা গ্রামের সিদ্দিকিয়া ফাজিল মাদরাসার মাঠ থেকে হেলিকপ্টারে করে স্ত্রীকে নিয়ে নিজ বাড়ি বগুড়া দুপচাঁচিয়া উপজেলার চৌমুহনী গ্রামে রওনা দেন তিনি। এর কিছুক্ষণ পরেই বাড়িতে স্ত্রীকে নিয়ে পৌঁছে স্বপ্ন পূরণ করেন রাইসুল।
৩০ বছর বয়সী রাইসুল দুপচাঁচিয়ার চৌমুহনী গ্রামের ড. আব্দুল মান্নারের ছেলে। আব্দুল মান্নান কাহালু উপজেলার বামুজা সিদ্দিকিয়া ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ।
.png)

রাইসুল এক্সিম ব্যাংকের নওগাঁ শাখার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। তার স্ত্রীর নাম রিজিয়া আক্তার। ১৯ বছর বয়সী রিজিয়া বামুজা সিদ্দিকিয়া ফাজিল মাদরাসার উচ্চ মাধ্যমিক শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী। রিজিয়ার বাবাও শিক্ষক। তিনি দুপচাঁচিয়ার দাইমপুর দাখিল মাদরাসার সহকারী প্রধান শিক্ষক।
জানতে চাইলে রাইসুল বলেন, ‘ইচ্ছে ছিল স্ত্রীকে হেলিকপ্টারে করে বাড়ি নিয়ে যাবো। বিয়ের দুই বছর পর এই ইচ্ছা পূরণ হলো। এর আগে করোনা পরিস্থিতির কারণে হেলিকপ্টারে করে বউকে বাড়ি নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি। তাই এখন এ আয়োজন করে বউকে বাড়ি তুললাম।’

কনে রিজিয়ার বড় ভাই রাজিব মিয়া জানান, ২০২০ সালের এপ্রিল মাসে তার বোনের সঙ্গে রাইসুলের বিয়ে হয়। তবে করোনার কারণে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় জানানো হয়নি। রিজিয়ার বিবাহবার্ষিকী উপলক্ষে এ আয়োজন করা হয়।
হেলিকপ্টারে স্ত্রীকে নিয়ে যাওয়ার এ দৃশ্য দেখতে গ্রামের শত শত নারী-পুরুষ মাদরাসার মাঠে ভিড় করেন। এ ঘটনায় গ্রামবাসীর মাঝেও ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায়।