মঙ্গলবার সকালে কাজিরচর ইউনিয়নের কাজিরচর এলাকার নিজ বাড়ির পাশের একটি জমির আইল থেকে মনির হওলাদারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। যে জমিতে তার মরদেহ পাওয়া গেছে সেটি প্রতিবেশী আবুল সরদারের।
নিহত মনির তিনি মুলাদী বাস কাউন্টারের কেরানি পদে চাকরি করতেন।
মুলাদী থানার ওসি এস এম মাকসুদুর রহমান বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
.png)
মনিরের ছোট ভাই পাভেল হাওলাদার বলেন, মনির দীর্ঘদিন ধরে একই এলাকার কামাল সরদারের গরুর খামারেও কাজ করত। তবে কাজের কোনো টাকা দেয়নি কামাল। এই নিয়ে দ্বন্দ্ব চলছিল মনির ও কামালের। একাধিকবার টাকা চেয়েও পায়নি মনির, বরং মনিরকে হুমকি দেয়া হয়েছিল জেল খাটানোর।
‘এছাড়া কারও সঙ্গে দ্বন্দ্ব ছিল না মনিরের। সবশেষ সোমবার রাত ৯টায় আমার কাছ থেকে মনির ৫০ টাকা নিয়ে ঘর থেকে বের হয়। এরপর আর দেখা হয়নি। মঙ্গলবার সকালে খবর পাই মনিরের মরদেহ পাওয়া গেছে।’
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেন কামাল সরদার। তিনি বলেন, ‘টাকা পয়সা নিয়ে আমার সঙ্গে মনিরের কোনো ঝামেলা ছিল না। এগুলো গুজব। অন্য কারো সঙ্গে শত্রুতায় হত্যা করা হতে পারে মনিরকে।’
ওসি মাকসুদুর রহমান বলেন, মনিরের গলাকাটা দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তার বাম চোখও তুলে নেয়া হয়েছে। মরদেহ উদ্ধারের সময় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্থানীয় জামাল মৃধা ও আলম হোসেনকে আটক করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। দুইজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে বলেও জানান ওসি।
কাজিরচর ইউপির ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য শামিম খান বলেন, সহজ-সরল প্রকৃতির ছেলে ছিল মনির। এ হত্যায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের আহ্বান জানাচ্ছি।