শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি জানিয়েছেন পিবিআই পরিদর্শক তৌহিদুল ইসলাম।
তিনি জানান, কুমিল্লা নগরীর জাঙ্গালিয়া এলাকার হালিমা বেগমের বাড়ি থেকে নিখোঁজ চার বোনকে উদ্ধার করা হয়। সকালে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
.png)
নিখোঁজ চার বোনের সঙ্গে কথা বলে জানা জায়, তাদের বাবা রাগী স্বভাবের মানুষ। তিনি তাদের মায়ের সঙ্গে প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদে লিপ্ত থাকত। সেদিন সকালেও তাদের বাবা-মা ঝগড়া করে। তাদের ঘর থেকে বের হয়ে যাওয়ার কথা বলে। পরে বিকেলে তাদের নানু এসে নিজের বাড়িতে নিয়ে যায়। এতেও তাদের রাগ না ভাঙলে তারা পরদিন মাদরাসার নাম করে বাড়ি থেকে বের হয়ে নাঙ্গলকোটের ফতেহপুর এলাকায় চলে যায়। সেখান থেকে তারা কুমিল্লা সুপার বাসে উঠে চলে আসে কুমিল্লা নগরীর জাঙ্গালিয়া এলাকায়। সেখানে এক অটোচালকের মাধ্যমে স্থানীয় হালিমা বেগমের বাড়িতে ঘর ভাড়া নেয়। যখনই তারা বাসা ভাড়া নেয় তখনই হালিমা বেগমের সন্দের হয়। কিন্তু তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বা পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত না হওয়াতে তাদের হারানোর খবর পাননি। পরে তারা সেখানে সঙ্গে থাকা টাকা দিয়ে খাবার খায়। এরপর বৃহস্পতিবার তাদের উদ্ধার করে পিবিআই।
সংবাদ সম্মেলনে পিবিআই পরিদর্শক মনজুর আলম, হিলাল উদ্দীন, মোবারক হোসেন ও বিপুল চন্দ্র দেবনাথ উপস্তিত ছিলেন।
গত ২৬ মে মাদরাসার উদ্দেশে বের হয়ে নিখোঁজ হয় চার বোন। তারা নাঙ্গলকোট উপজেলার মৌকরা ইউনিয়নের কালেম গ্রামের মজিবুল হকের মেয়ে। তারা স্থানীয় দুটি মাদরাসার শিক্ষার্থী। আত্মীয়-স্বজনসহ বন্ধু-বান্ধবীদের বাড়িতে খোঁজ করেও মেলেনি সন্ধান। এ ঘটনায় ২৭ মে রাতে নাঙ্গলকোট থানায় লিখিত অভিযোগ করেন তাদের বাবা মুজিবুল হক। এ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।