ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

৬৩ রোগীর চোখে আঘাত, ৬ জনের অবস্থা গুরুতর

সীতাকুণ্ডে বিস্ফোরণ
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৪:৫৫, ৭ জুন ২০২২
৬৩ রোগীর চোখে আঘাত, ৬ জনের অবস্থা গুরুতর
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চক্ষু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক দীন মোহাম্মদ নুরুল হকের সংবাদ সম্মেলন- ছবি: সংগৃহীত

চোখে আঘাত পেয়েছেন চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে বিস্ফোরণ ও আগুনের ঘটনায় চট্টগ্রাম মেডিকেলে কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৬৩ জন। তাদের মধ্যে ৬ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে নেয়া দরকার।

মঙ্গলবার চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালকের কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছেন ন্যাশনাল আই কেয়ারের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক দীন মোহাম্মদ নুরুল হক। এর আগে, চমেক হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে থাকা রোগীদের দেখেন তিনি।

দীন মোহাম্মদ নুরুল হক বলেন, আহত রোগীদের মধ্যে চমেকে ভর্তি ৬৩ জন রোগী চোখে কোনো না কোনোভাবে কম-বেশি আঘাত পেয়েছেন। এছাড়া কিছু সিরিয়াস ইনজুরড আছেন। কারো শুধু চোখে আঘাত, আবার কারো অন্য অঙ্গগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আহতদের মধ্যে ৬ জনের চোখের অবস্থা খুবই খারাপ। তাদের মধ্যে একজনের চোখের কর্নিয়া ফেটে গেছে। তাকে প্রয়োজনে উন্নত চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে নিতে হতে পারে।

Advertisement

তিনি আরো বলেন, আমরা চাই গুরুতর আহত ছয় রোগীকে জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে নিয়ে উন্নত চিকিৎসা দিতে। এছাড়া আরো ৫-৬ জন রোগীর চোখের অবস্থা খারাপ। কিন্তু তাদের শরীরের অন্যান্য অঙ্গের অবস্থা খুবই খারাপ। ফলে এখনই তাদের ঢাকায় নেয়া সম্ভব নয়। ডিপোতে আহত সব রোগীকে আমি দেখেছি। সবারই কোনো না কোনোভাবে চোখে আঘাত রয়েছে।

এ চক্ষু বিশেষজ্ঞ বলেন, সীতাকুণ্ডে অগ্নিকাণ্ডে হতাহতদের চিকিৎসা সেবা মনিটর করার জন্য আমি একটি বিশেষজ্ঞ টিম নিয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এসেছি। এখানকার চিকিৎসকরা খুব ভালোভাবেই ম্যানেজ করেছেন। আগেও অনেক জটিল রোগীকে তারা সফলভাবে দেখভাল করেছেন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!