বিকডা সচিব রুহুল আমিন সিকদার বিপ্লব বলেন, বিএম কনটেইনার ডিপোতে দুর্ঘটনার সময় সাড়ে চার হাজারেরও বেশি কনটেইনার ছিল। এর মধ্যে অন্তত এক হাজার ৩০০ কনটেইনারে আমদানি ও রফতানি পণ্য ছিল।
‘পণ্যভর্তি এসব কনটেইনারের অধিকাংশই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পুড়ে ছাই হয়েছে আমদানি করা বহু পণ্য।’
আরো পড়ুন> বাড়ল গ্যাসের দাম, এক চুলা ৯৯০ টাকা আর দুই চুলা ১০৮০
.png)
তিনি আরো বলেন, বেশি পুড়েছে রফতানির জন্য রাখা পণ্য। রফতানির জন্য কনটেইনার ভর্তি করে রাখা অনেক পোশাক ছিল। পোশাক পুড়ে যাওয়ায় রফতানি কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হবে। নির্ধারিত সময়ে রফতানি করা অসম্ভব হয়ে পড়বে।
বিজিএমইএ চট্টগ্রামের সহ-সভাপতি রাকিবুল আলম চৌধুরী জানান, আগুনের ঘটনায় পুড়ে যাওয়া কনটেইনারে রফতানিপণ্য বেশি ছিল।
তিনি বলেন, বিএমের ডিপোতে বেশি ক্ষতি হয়েছে রফতানিপণ্যের। ঠিক কতটি প্রতিষ্ঠানের পণ্য পুড়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হতে পারিনি। এ বিষয়ে তথ্য জানতে বিজিএমইএ-এর পক্ষ থেকে সার্কুলার জারি করা হয়েছে। সব তথ্য পাওয়ার পর ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিশ্চিত করে বলা সম্ভব হবে।